আর গোটা চারিক গল্প সালির মুঞি শোনো বসিয়া।[১]।
হিরা বলে—আজকার মোনে থাক বৈস্টম ধৈরন ধরিয়া।১৯৮৫
কাল প্রাতকে তোমার চ্যালাক দিবতো আনিয়া॥
তেমনিয়া হাড়ি সিদ্দা আমি এই নাওঁ পাড়াব।
দিনতে ত্রলায় আত্রি আমি ঘড়িকে করাব ॥
সরগের তারা থুইলে সিদ্দা কোথায় লুকিয়া।
চান সুয্য থুইল সিদ্দা দুই কানে ভরিয়া ॥১৯৯০
জল কুআ হাড়ি ম্যাঘ দিলেতো নাগিয়া॥
আত্রি করে ঝিকি মিকি কোকিলাএ কারে রাও।
শেত কাউআয় বলে রাত্রি প্রোভাও প্রোভাও॥
আমার চ্যালাক হিরা নটি আনিয়া জোগাও॥
নটি বলে শুন গুরু করি নিবেদন।[২]১৯৯৫
- ↑ পাঠান্তরে এই সময়ে হীরার বান্দির আবির্ভাব—
পাছ দুআর দিয়া বান্দির ঘর আইল চলিয়া।
হাত ইসারা করি বান্দি ডাকাছে বসিয়া॥
কি গল্প নাগাছিস মা গুরুর বরাবর।
দুক্খ দেখিয়া রাজার পুত্র গেইছে মরিয়া ॥
দুইঠে দুইটা কলস আছে ডাঙ্গাত ভাঙ্গিয়া।
সিকিয়া বাঙ্কুয়া ব্যাড়ায় জলত ভাসিয়া ॥
দুক্খ দেখিয়া রাজার পুত্র গেইছে মরিয়া।
কোন গুনা চ্যালাক দেই এখন হাজির করিয়া॥ - ↑ পাঠান্তর—
একদণ্ড দুইদণ্ড তিন দণ্ড হৈল।
রাজাক দিবার না পারিয়া সিদ্দার চরনত পড়িল।
টোরা মাছের নাকান রাজা ঝুলি হতে পড়িল॥
গুরুর তরে কথা বলিতে নাগিল॥
গুরু, একনা হুকুম দ্যাও গুরু আমার বরাবর।
এক্কেব্যালায় নটি সালিক প্যাটাও রসাতল॥