জখন হাড়ি সিদ্দা খত হাতে পাইল।
হরি বোল বলিয়া হাড়ি খত খান ফাড়িয়া ফেলিল॥
রাধা কৃষ্ণ বল বাপু রাম রাম বল।২০১৫
মহারাজার খত ফাড়লে হরি হরি বল॥
হাড়ি বলে হারে নটি কার প্রানে চাও।
এক ঝারি জল আন মস্তকে করিয়া।
আশিব্বাদ করিয়া জাওঁ মুই কৈলাসক নাগিয়া॥
এক ঝারি জল নটি বিরসে ভরিয়া।২০২০
মস্তকে করিয়া জল দিলে আনিয়া ॥
জখন হাড়ি সিদ্দা জল দেখিল।
হাত ধরিয়া ধম্মিরাজাক বাহির করিল॥
হাড়ি বলে আসা নড়ি কার প্রানে চাও।
শিঘ্র গতি হিরা নটিক ধর চিত্তর করিয়া।২০২৫
বার বচ্ছর গাও ধুইছে ছেইলার বুকত চড়িয়া ॥
এক দিন ছিনান করুক ধম্মিরাজ নটির বুকত চড়িয়া ॥
রাজার হস্ত ধরি হাড়ি সিদ্দা নটির বুকত চড়ি দিল।
জেই জল আনলে নটি মস্তকে করিয়া।
ঐ জল দিয়া ছিনান করুক রাজা দুলালিয়া॥২০৩০
রাজাক ছেনানে নটি একতিল নড়িল।
কমরোতে পাও দিয়া নটির ছিড়িয়া ফেলিল॥[১]
- ↑ পাঠান্তরে এই স্থলে—
আগিলে ধড় ধ’ল্লে নটির হাড়ি ঠ্যাং দি চিপিয়া।
পাছিলা ধড় দিলে সগ্গে উড়াইয়া ॥
জা জা হিরার পাছিলা তোক দিলাম বর।
জেই ঠ্যাংএ গাও ধুইছিস রাজার বুকত চড়িয়া।
এই ঠ্যাং ঝুলিয়া রয় তোর বৃক্খর নাগিয়া॥
জখন হাড়ি সিদ্দা এ কথা বলিল।
হাড়ির চরনে পাছিলা প্রনাম করিয়া।
বউকধুর রুপ্পে গ্যাল শুন্যে উড়িয়া ॥