বাপ কালিয়া পাগলা হস্তির বন্দন দেই আরো ছাড়িয়া।[১]২২৪০
শুঁড় দিয়া পাল্টাইয়া বেটাক ফ্যালাউক মারিয়া॥
মদ ভাঙ্গ খোআইলে হস্তিক বিস্তর করিয়া।
পাগলা হস্তির বন্দন রানি দিলেতো ছাড়িয়া॥
আঠার দেউরি আইসে হস্তি মার মার করিয়া
কিসের আর মারবে হস্তি কান্দে রাজার গলাটা ধরিয়া॥২২৪৫
দৌড় পাড়িয়া বান্দির বেটি খবর জানাইল।
মা সারা ঘাটাএ গ্যাল হস্তি মার মার বলিয়া।
কিসের মারবে কান্দে তার গলাটা ধরিয়া॥
দৌড় পাড়িয়া বান্দির বেটি খবর জানাইল।[২]
- ↑ পাঠান্তর—পাগলা হস্তির দারুকা দ্যাওত ছাড়িয়া।
- ↑ মতান্তরে এইস্থলেই হস্তী রাজাকে লইয়া ভিতরে গেল—
পিতা বারবছর গেইছেন আমাক বন্দন করিয়া।
কোন দিন খেতু না দ্যায় চারা কাটিয়া।
শুঁড় দিয়া পাল্টায়া হস্তি রাজাক নন্তকে তুলিল।
পুন্নিমার চন্দ্রের নাকান রাজা জলিয়া উঠিল॥
জোড় বাঙ্গালার নাগি এ দৌড় ধরিল॥
দ্যাখে বিনা ব্রহ্মায় সত্যের অন্ন উথলিয়া পৈল।
দোনো বইনে কথা বলিতে নাগিল॥
বিনা ব্রহ্মায় সত্যের অন্ন উথলিয়া পৈল।
বার বছর অন্তরে পতি মহলে আসিল॥
রতিত নয় রতিত নয় দুলাল ভগবান্।
মায়া করি ছলিল আসে আপনার মহাল॥
মস্তকে করিয়া হস্তি ভিতর অন্দর গ্যাল
এই শব্দ ডাহিনি মএনা ফেরুসাএ শুনিল॥
গ্রীয়ার্সন্ সাহেবর সংগৃহীত পাঠে নিম্নরূপ—
হস্তির দারুকা কাটিয়া দেও।
মোর সোয়ামি নিবে চিন করিয়া।
বিদেশী অথীত হইলে ফেলাবে মারিয়া॥