পাতা:গোবিন্দ দাসের করচা.djvu/১০০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গোবিন্দ দাসের করচ, S À কেহ বলে রূপের বালাই লৈয়া মরি। কেমনে ইহার মাতা রবে প্ৰাণ ধরি। কোটি মদনের গৰ্ব্ব থৰ্ব্ব এইখানে। . • এমন কেশের শোভ দেখিনি নয়নে ॥ চিবুকের কিবা শোভা অতি নিরমল। নীল পদ্ম জিনি শোভে নয়ন কমল ৷ এমন আশ্চৰ্য্যরূপ কভু দেখি নাই। কেমনে কেীপীন দও ধরিবে নিমাই। পাষাণে গঠিত হয় কেশব ঠাকুর। rকমনে মুড়াবে কেশ বড়ই নিঠুর ॥ আহা মরি কিবা শোভে কণ্ঠে বনমালা । মুখ শোভা চারিদিক্‌ করিয়াছে আল ৷ নারীগণ এইরূপে কত কথা বলে। হেনকালে প্ৰভু মোরে ডাকিলা কৌশলে ॥ প্রভু বলে দ্রব্যজাত আনহ ত্বরিতে। মুণ্ডন করিব কেশ সন্ন্যাস করিতে ॥ অার না রহিব ঘরে বন্ধন দশায় । নরক যন্ত্রণা গৃহে কথায় কথায় ॥ এই কথা শুনি শুদ্ধসত্ত্ব গদাধর। অবধৌত নিত্যানন্দ শ্ৰীচন্দ্রশেখর ॥ . সন্ন্যাসের উপযুক্ত বিবিধ সম্ভার। আনিয়া পুরিল সবে দ্যাসীর ভাণ্ডার ॥ দেবাঞ্চ নামে নাপিতেরে ডাকিয়া আনিল । বিশ্ববৃক্ষতলে জাসি নাপিত বসিল ॥

  • জন-প্রবাদ এই, যে নাপিত চৈত স্তর মস্তক মুণ্ডন করিয়াছিল, তাহার নাম ‘মধু । কিন্তু কোন সন্ন্যাসীর মন্তক হয়ত কোন সময় ‘মধু নামক নাপিত মুণ্ডন করিয়াছিল—তৎপর হইতে "মধু" নামটি সন্ন্যাসগ্রহনোদ্যত ব্যক্তির সঙ্গে জড়িত হইয়া আছে । যেহেতু ময়নামতীর গানে গোপীচন্দ্রকে যে নাপিত ক্ষেীর করিয়াছিল, তাহার নাম ও ‘মধু দৃষ্ট হয়। আমাদের মতে এই দেবা’ নামই প্রকৃত । "মধু নাপিত” নামে এক শ্রেণীর নাপিত আছে। ‘দেব৷” এই শ্রেণীর নাপিত

হইতে পারে। এখন “মধুনাপিতে"র ময়রার कांé] कब्रिब्रl थां८क । নাপিতে বলিলা তবে চৈতন্ত গোসাই। মুণ্ডন করহ দেব ব্রজে চলে যাই ॥ ভারতীয় আজ্ঞা পেয়ে নাপিত তখন। বসিলা নিয়ড়ে গিয়া করিতে মুগুন। যখন নাপিত শেষে কেশে ক্ষুর দিলা । অমনি রমণীগণ ফুকারি উঠিলা ॥ নারীগণ বলে নাপিত একাজ করো না । এমন চুলের গোছা মুড়ায়ে ফেলো না ৷ এই বলি কাদিয়া উঠিল নারীগণ । মুণ্ডন করিতে দেব লাগিল তখন ॥ হাজার হাজার লোক সন্ন্যাস দেখিতে । কণ্টক নগরে সবে লাগিলা আসিতে ॥ দিবসের শেষ ভাগে মুড়াইয়া কেশ । ধরিল নিমাই তবে সন্ন্যাসীর বেশ ॥ দণ্ডকমণ্ডলু হাতে কেীপীন পরিল। কাষায় বসনে পুনঃ তাহ আবরিল ॥ দাড়াইলা ভারতীর সন্মুখে গোসাই। রূপে দিক্ আলো কৈলা বলিহারি যাই ॥ অবধৌত গদাধর আর গঙ্গাদাস । একে একে দাড়াইলা সন্ন্যাসীর পাশ ॥ প্রভুর আশ্চৰ্য্য রূপ দেখিয়া ভারতী । মনে মনে পাদপদ্মে করিলা প্রণতি ॥ মনে মনে বলে গোসাই তুমি সে ঈশ্বর। তোমার অধীনে হয় বিশ্ব চরাচর ॥ লোকশিক্ষা লাগি তুমি পরিলে কেীপীন। ভক্তিমাৰ্গ দেখাইতে দীনের অধীন। অপরাহ্ল কালে প্ৰভু সন্ন্যাসী হইলা । হুলুধ্বনি নারীগণ করিয়া উঠিলা ॥ লতা পাতা শাখা বৃক্ষ প্রেমেতে ভাসিল। পশু পক্ষী কীট যেন নাচিয়া উঠিল ॥ লক্ষ লক্ষ লোকে করে পুষ্প বরষণ। কণ্টক নগর হ’লে নন্দন কানন ॥