পাতা:গোবিন্দ দাসের করচা.djvu/১৩২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গোবিন্দ দাসের করচা ჭტ অশ্বরের ভাৰ বুঝি ঈষৎ হাসিয়া । বলে প্রভু-ভাব তুমি কিসের লাগিয়া ৷

  • হরিনাম ক্ষুধাপানে রজনী কাটাব।

প্রভাতে উঠিয়া যথা ইচ্ছা চলি যাব ইহা বলি গোরাচাদ নয়ন মুদিয়া । স্থির ভাবে বসিলেন বৃক্ষে ঠেস দিয়া ॥ খঞ্জনী বাজায়ে যত সন্ন্যাসী ঠাকুর। গান আরম্ভিলা বড় শুনিতে মধুর ॥ হেন কালে এক শ্রেষ্ঠ সেখানে আসিয়া । সকলেরে ভিক্ষা দিয়া গেলেন চলিয়া । গোট গোটা ফল মূল দুগ্ধ আর চিনি। ভক্তি করি সকলেরে ভিক্ষা দেন তিনি ॥ ভিক্ষা পেয়ে মন মোর পুলকে পূরিল। দুগ্ধ চিনি লয়ে প্ৰভু ভোগ লাগাইল । সন্ন্যাসি-ঠাকুর সব প্রভাতে উঠিয়া । চলিলা ত্ৰিবন্ধু দেশে পৰ্ব্বত ভেদিয়া ৷ ত্রিবঞ্চদেশের রাজা বড় পুণ্যবান। পালন করেন প্রজা পুত্রের সমান ॥ নগরের লোক সব অতিথি কুশল । অতিথি লইয়া সবে করে কোলাহল । অতিথি লইয়। সবে টানাটানি করে । অতিথির সেবা করে বড়ই আদরে। এথাকার রাজা তার নাম রুদ্রপতি । কাঙালের মাতা পিতা অগতির গতি ॥ এ রাজার রাজ্যে প্রজা বড় সুখী হয়। রাজার লাগিয়া সবে ব্যাকুল হৃদয় ॥ কত হাতী ঘোড়া বাধা রাজার কুয়ারে। श्रटमब्र अछांब नाहे ॐांशत्र उNSiप्** नलटब्रग्न डिन झांप्न अब्रइयदर्भ ॥ অতিথি পথিক আসি সেই ছত্রে রয় ॥ बांब्र षष्ठ नि हेझ ब्ररश् ८गहे थांदन । ধন্ত ধন্ত রাজা বলি সকলে বাখানে ॥ সন্ধ্যাকালে আনিলাম কিছু নগরে। বৃক্ষতলে বসে প্রভু প্রফুল্ল অস্তরে ॥ | ! একজন গ্রাম্য লোক চুণা আনি দিল। বৃক্ষতলে থাক প্রভূ রজনী যাপিলা । পরদিন এই কথা রটিয়া পড়িল । নগরের লোক ক্রমে আগিয়া জুটিল । গোরার আশ্চৰ্য্য ভাব দেখিয়া সকলে । জোড় হস্তে আসিয়া দাড়ায় সেই স্থলে হরিনাম করে গোর মুদ্রিত নয়নে। দাড়াইয়া স্তব করে সবে শুদ্ধ মনে ॥ বসিয়া আছেন প্রভু অঙ্গ নাহি নড়ে। নয়নের কোণ বাহি অশ্রুধারা পড়ে ॥ লোমাঞ্চিত কলেবর পুলক অস্তরে । ভাব দেখি গ্ৰাম্যলোক কত স্তব করে ॥ কেহ বলে মোর গৃহে চলহ সন্ন্যাসী । কেহ বলে তোমারে দেখিতে ভালবাসি ॥ কেহ কেহ ফল মূল আনিয়া যোগায় । নয়ন খুলিয়া মোর প্রভু নাহি চায়। কেহ বলে এ সন্ন্যাসী মানুষ ত নয়। ইহারে দেখিয়া কেন এত ভক্তি হয়। ইচ্ছা হয় এরে দেখি বিষয় ছাড়িতে। মন নাহি যায় আর সংসার করিতে। কেহ বলে আজি মুখে রজনী পোহালো । সন্ন্যাসী দেখিয়া মোর চিত্ত শুদ্ধ হৈল। একজন বুড়া আসি বলে ভক্তি ভরে। কোথায় সন্ন্যাসী আছে দেখাও আমারে । তাহার আগ্রহ দেখি মোর গোরা রায় । তাড়াতাড়ি উঠয় তাহার কাছে যায়। 'প্রভূর সম্মুখে বৃদ্ধ প্ৰণাম করিয়া। ফল মূল চুণা আনি দেয় যোগাইয়া ॥ এই কথা লয়ে সবে করে কাশঙ্কাণি । দর্শন মানসে আসে কত শত জ্ঞানী।