পাতা:গোবিন্দ দাসের করচা.djvu/১৭০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গোবিন্দ দাসের করচ । b-> তুমি আমি আর ভট্ট নীলাচলে গিয়া। । করিব হরির নাম সাধ মিটাইয়া ॥ তব সঙ্গে তত্ত্ব কথায় বড় মুখ পাব। এস তুমি মোর সঙ্গে নীলাচলে যাব ৷ আপনি চলুন অগ্রে রায় ইহা বলে । কিছু দিন পরে মুহি যাব নীলাচলে ॥ ৬ এত শুনি মহাপ্রভু ঈষৎ হাসিয়া । চলিলা উত্তর ভাগে প্রভাতে উঠিয়া ॥ সেই দিন অতিক্রম করি বহু দূর। ছয় দিনে চাৰি জনে যাই রত্নপুর । রত্নপুর ছাড়ি মোরা মহানদী পাই। তার ধারে ধারে সবে পূৰ্ব্বভাগে যাই ॥ কিছু দূরে মহাপ্ৰভু স্বর্ণগডে গিয়া । নগরের শোভা প্ৰভু দেখে নিরথিয় । আশ্চর্য্য গড়ের শোভা কি কহিব আর । চারি দিক দেখিয়া লাগিল চমৎকার ॥

  • এখানে চৈতষ্ঠ চরিতামুতের সঙ্গে করচার

বর্ণনার বেশ ঐক্য আছে । " প্রভু কহে এথা মোর এ নিমিত্ত আগমন। তোমা লয়ে নীলাচলে করিব গমন ॥ রায় কহে প্রভু আগে চল নীলাচল । মোর সঙ্গে হাতী ঘোড়া সৈন্ত কোলাহল ॥ দিন দশে ইহা সব করি সমাধান । তোমার পাছে পাছে আমি করিব প্রয়াণ ॥ চৈ, চ মধ্য ৯ । ১৬৬ এখানে আমাদের এই বক্তব্য ষে যে স্থানে মহাপ্রভুর প্রসিদ্ধ পরিকরের উপস্থিত ছিলেন এবং তাহাদের মুখে শুনিয়া চরিতকারের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়াছেন, সেই সেই স্থানের বর্ণনার সঙ্গে করচার বিশেষ ঐক্য দৃষ্ট হইতেছে। কিন্তু যেখানে গ্রন্থকারের জনশ্রুতির উপর নির্ভর করিয়া লিখিয়াছেন, তাহাদের পুস্তকের তত্তং স্থলের সঙ্গে করচার বিবরণের প্রায়ই अरेनका मृडे इब्र । > > শাস্তীশ্বর নামে য়াজা এই গড়ে থাকে। এই কথা দূত গিয়া বলিল রাজাকে ॥ মোদের সংবাদ শুনি রাজা মহাশয়। প্রভুরে দেখিতে আসে করিয়া বিনয় ॥ পরম ধাৰ্ম্মিক রাজা প্রভুরে দেখিয়া । জোড় হস্তে ভূমিতলে পড়ে লোটাইয়া । রাজা বলে শুনহ সন্ন্যাসী মহাশয় । পবিত্র করহ আজি আমার আলয় ॥ আজি কৃপা করি ভিক্ষা লহ মোর ঘরে এই বলি রাজা বহু স্তব স্তুতি করে ॥ ইহা শুনি প্রভু তাকাইয়া মোর পানে। ভিক্ষ চাহিলাম মুহি ভূপতির স্থানে ॥ প্রচুর আনিয়া ভিক্ষ মহারাজ দিলা। ভিক্ষা দিয়া জোড় হস্তে দাড়ায়ে রহিল ॥ অপরাহ্লে মহারাজ বিদায় হইল । বৃক্ষতলে মহাপ্রভূ রজনী যাপিল । প্রভাতে সম্বলপুর সবে মোরা যাই। সন্ধ্যার সময়ে গিয়া সেখানে পৌছাই ॥ পৰ্ব্বতে বেষ্টিত পুরী বড় শোভা পায়। আনন্দে সম্বলপুরে রজনী কাটায় ॥ দশ ক্রোশ দূরে হয় ভ্রমরা নগরী। সেই খানে মহা প্ৰভু হৈলা আগুসারী। বহু বৈষ্ণবের বাস ভ্রমরা নগরে । এই খানে চারি দিন প্রভু বাস করে ॥ বিষ্ণু রুদ্র নামে এক উড়িয়া ব্রাহ্মণ । এই থানে থাকি করে কৃষ্ণের সেবন ॥ বিষ্ণু রুদ্র বিপ্ৰ হয় বড় ভক্তিমান । তারে দেখিবারে প্রভু হৈলা আগুয়ান ॥ বিষ্ণু রুদ্র সহ প্ৰভু ইষ্টগোষ্ঠী করি। আনন্দে চলিয়া যায় প্রতাপনগরী ॥ এই নগরীর লোকে হরিনাম দিয়া । দাসপাল নগলেতে গেলেন চলিয়া ।