পাতা:গোবিন্দ দাসের করচা.djvu/২৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


૨૦ গোবিন্দ দাসের করচা “প্রিয় মহাশয়, আপনার ১৯ তারিখের অনুগ্রহ-লিপি পাইলাম। আমি শাস্তিপুর নিবাসী ৮ পণ্ডিত জয়গোপাল গোস্বামী মহাশয়কে বিশেষরূপেই চিনিতাম। এক সময়ে আমি তাহার সৌহাৰ্দ্দাভিমানী ছিলাম। আমি গোবিনা দাসের করচার একখানি প্রাচীন পুথি তাহাকে নকল করিতে দেখিয়াছি। তিনি উহা প্রকাশ করিবেন বলিয়া নকল করিতে ছিলেন। সে আজ ৪০ বৎসরের উপরে হইবে। তখন পুথিখানি অতি জীর্ণ অবস্থায় ছিল এবং তজ্জন্তই বোধ হয় তিনি তাহার প্রতিলিপি প্রস্তুত করিতে ছিলেন।” শাস্তিপুর নিবাসী শ্ৰীযুক্ত হরিলাল গোস্বামী মহাশয়ের চিঠিতে জানা যাইতেছে যে করচার পাণ্ডুলেখা যাহারা দেখিয়াছিলেন, তাহাদের মধ্যে কেহ কেহ শান্তিপুরে এখনও জীবিত আছেন। তাহা ছাড়া বনোয়ারীলাল গোস্বামী, যাহার বয়স এখন ৭০ এবং তদীয় ভ্রাতা শ্ৰীযুক্ত মোহনলাল গোস্বামী যাহার বয়স এখন ৬•, তাহার তো এই পুথি দেখিয়া ছিলেন এবং তৎসম্বন্ধে সমস্ত ঘটনাই বিদিত আছেন। তবে কুরুক্ষেত্রের সময় হইতে এখন পর্য্যন্ত জ্ঞাতি-বিরোধ আমাদের সমাজে সমানভাবে চলিয়া আসিতেছে। গোস্বামী মহাশয়ের জ্ঞাতি শ্ৰীযুক্ত রাধাবিনোদ গোস্বামী মহাশয় ঢাকায় এক প্রকাশু সভায় বলিয়াছেন যে তিনি নিজে জানেন যে জয়গোপাল গোস্বামী গোবিন্দ দাসের করচা জাল করিয়াছিলেন এবং তজ্জন্ত শাস্তিপুরে একঘরে হইয়াছিলেন। এই উপলক্ষ্যে যে সকল ঝগড়া ঝাটির কথা হইয়াছে তাহা এস্থানে বলিবার প্রয়োজন নাই। তবে পণ্ডিত বনোয়ারীলাল গোস্বামী মহাশয় আমাকে লিথিয়াছেন—এবং ঐযুক্ত নলিনীমোহন সান্তাল প্রভূতি কয়েকজন শাস্তিপুরবাসী তাহাকে সমর্থন করিয়াছেন—যে যখন করচা সংগৃহীত হয় তখন রাধাবিনোদ গোস্বামী জন্মগ্রহণই করেন নাই ; যদিও করিয়া থাকেন, তখন তিনি স্বগৃহের আঙ্গিনায় হামাগুড়ি দিতেছিলেন। the purpose of editing and publishing it. It is over 40 years now that I saw it with him and it was then in a very worn out condition and that is why I believe he was making a copy of it. I never heard of his having been boycotted by the Vaisnava community of Santipur for his having edited and published the Karcha. His family and our family were in very intimate terms at the time and we were also closo neighbours, and if any such thing had happened at the time, we must have known of it. Somehow or other I lost touch with the Pandit Mahashaya and Santipur for nearly 25 years now. If, however, you want any definite information for the subsequent period I will refer you to Babu Nalini Mohan Sanyal, M.A. (Bhasatattwaratna, Retired Inspector of Schools) now residing at 1, Gopal Banerjee's street, Bhownipur, Calcutta, who was also a close neighbour of the Pandit Mahashaya and was in close touch with him and his family all the time. Yours sincerely (Sd.) Sarat Chandra Ohatterjee 24 March, 1925.