পাতা:গোবিন্দ দাসের করচা.djvu/২৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


छूभिक &め শান্তিপুরবাসী আর এক মহোদয় বলিতেছেন “গোস্বামী মহাশয় পুথির কয়েক পৃষ্ঠা হারাইয়া বহুকাল নিশ্চেষ্ট হইয়া বসিয়াছিলেন, আমিই র্তাহাকে সে কয়েক পাতা জাল করিতে পরামর্শ দিয়াছিলাম।” বালক যেরূপ ময়রার দোকানের মিঠাই পাইলে তখনই তাহা গলাধঃকরণ করে, গোস্বামী মহাশয়ও নাকি সেই স্বপরামর্শটি তখনই গ্রহণ করিয়া ঐ কয়েক পৃষ্ঠা জাল করিয়া ফেলেন। যদি পুস্তক খানি গোস্বামী মহাশয় নিজেই রচনা করিয়া থাকিবেন, তবে কয়েকটি পৃষ্ঠা হারাইয়া গেলে এত বৎসর বসিয়া থাকিবার কারণ কি ? তিনি তো নিজেই তাহ অবিলম্বে পূর্ণ করিতে পারিতেন। - এই দলাদলি কণ্টকিত, জ্ঞাতি বিরোধ-দুষ্ট শান্তিপুরের বাদামুবাদ প্রকৃত তথ্য নির্ণয়ের পক্ষে অনুমাত্র সাহায্য করিবে না। এই জন্য এ বিষয়ে আলোচনা ত্যাগ করিলাম। ২ । বিরুদ্ধবাদীদের আন্দোলনের ইতিহাস বিরোধী দলের আন্দোলন সৰ্ব্ব প্রথম শাস্তিপুরে আরব্ধ হয় নাই। ইহা মুরু হইয়াছিল অমৃতবাজার আফিসে। করচার পাণ্ডুলিপি * পাঠ করিয়া ৮ শিশিরকুমার ঘোষ মহাশয় পুস্তকখানির বিশেষ পক্ষপাতী হইয়াছিলেন। তিনি পাণ্ডুলিপির দুই ফৰ্ম্ম গোস্বামী মহাশয়ের নিকট হইতে কয়েক দিনের জন্য চাহিয়া রাখেন। তাহার নিকট হইতে ডাক্তার শস্তু মুখোপাধ্যায় মহাশয় তাহা লইয়া গিয়া হারাইয়া ফেলেন। সেই দুই ফৰ্ম্মার অস্পষ্ট স্বতি লইয়া শিশির বাবু করচার বিষয় ‘অমিয় নিমাই চরিতে লিখিতে আরম্ভ করেন এবং সেই পুস্তকে তিনি স্থতি ভ্রমের দরুণ গোবিন দাসকে কায়স্থ বলিয়া উল্লেখ করেন। তারপর কয়েক বৎসর পরে যখন করচ প্রকাশিত হয়, তপন তিনি দেখিতে পাইলেন যে মুদ্রিত পুস্তকে গোবিনা দাসকে কৰ্ম্মকার বলিয়া উল্লেখ করা হইয়াছে। এদিকে তাহার অমিয় নিমাই চরিতের সেই খণ্ড মুদ্রিত হইয়া গিয়াছে। সুতরাং তিনি তাহার লিখিত কথার সামঞ্জস্ত রক্ষার জন্ত বলিলেন যে করচার প্রথমাংশ অপ্রামাণিক। প্রথম সংস্করণে করচার মোট মূদ্রিত সংখ্যা ২২৭। তন্মধ্যে ৫১ পৃঃ “ হাটু ধরি রাম রায় করেন ক্ৰন্দন।” ছত্র পর্য্যস্ত (অর্থাৎ যে অংশ হারাইয়া গিয়াছিল) তাহার মৌলিকতা সন্দেহের বিষয়। এ সম্বন্ধে সরলচিত্ত বৃদ্ধ জয় গোপাল গোস্বামীর বিরুদ্ধে যে একটা কাও হইয়াছিল তৎসম্বন্ধে আমি আপাতত নীরব থাকিব। সেই সময় গোস্বামী মহাশয় আমার শ্যামপুকুর লেনস্থিত ১২নং বাসা বাড়ীতে উপস্থিত হইয়া করুণ-ভাবে সমস্ত কখা

  • আমি ভ্রম বশত: লিখিয়াছিলাম যে শিশির বাবুরা করচার প্রাচীন পুথি দেখিয়াছিলেন, কিন্তু বনোয়ারীলাল গোস্বামী মহাশয়ের নিকট জানিলাম যে তাহারা আদত পুথি দেখেন নাই, নকল দেখিয়াছিলেন ।