পাতা:গোবিন্দ দাসের করচা.djvu/৪৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


फूमिका 8○ অন্যান্য প্রাচীন গ্রন্থে গোবিন্দ দাসের উল্লেখ এই কয়েকখানি পুস্তকই সমস্ত নহে। “চৈতন্য চন্দ্রোদয় কৌমুদী’তে গোবিন্দ দাসের একটি বিবরণ প্রদত্ত হইয়াছে। এই গোবিন্দই করচা-লেখক বলিয়া আমাদের ধারণা। উক্ত পুস্তকের যে পুথি আমরা পাইয়াছি, তাহা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুথিশালার এবং তাহার নম্বর ২১৪৫ । পুথি খানি ১৬০৪ শকে রচিত। করচায় দৃষ্ট হয়, চৈতন্ত প্রভুর আদেশে তাতার চিঠি লইয়া গোবিন্দদাস শান্তিপুরে অদ্বৈতাচার্য্যের নিকট প্রেরিত হন। চৈতন্ত চন্দ্রোদয় কৌমুদী’তে গ্রন্থকার প্রেমদাস খুব সম্ভব গোবিন্দ দাসের পরবর্তী কতকগুলি ঘটনার বর্ণনা দিয়াছেন। তাহাতে গোবিন্দদাস প্রথমতঃ শ্ৰীখণ্ডে যাইয়া নরহরি সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ পূর্বক কিরূপে অদ্বৈতশৃহে গিয়াছিলেন এবং পরে কাচড়াপাড়া আসিয়া শিবানন্দ সেনের সঙ্গে পুরীতে মহাপ্রভুর নিকটে ফিরিয়া আসেন, তাহা লিখিত হইয়াছে। বঙ্গদেশে আসিয়া তিনি আত্মগোপন করিলায় চেষ্টা পাইয়াছিলেন, সেই সাবধানত এই কাহিনীতে দৃষ্ট হয়। তিনি নিজকে ‘বিদেশী’ এবং উত্তররাঢ় নিবাসী বলিয়া পরিচয় দিয়াছিলেন—কাঞ্চননগর অবশু উত্তর রাঢ়ের অন্তর্গত । বৃন্দাবন দাসের সুপ্রসিদ্ধ চৈতন্ত্য ভাগবতে छूठे झग्र চৈতন্তের সন্ন্যাসের সময় গোবিন্দ তাহার সঙ্গী ছিলেন, একথা আচু্যত বাবুও শ্ৰীশ্ৰীবিষ্ণুপ্রিয়া গৌরাঙ্গ পত্রিকায় ভাল করিয়া প্রমাণ করিয়াছেন। করচার লেখার সঙ্গে এস্থলে চৈতন্ত ভাগবতের কথার ঐক্য দৃষ্ট হয়। “নিতানন্দ গদাধর মুকুন্দ সংহতি । গোবিন্দ পশ্চাতে আগে কেশব ভারতী” ( অস্ত্য ১ম । ১৩৩১ সনের ২৬শে মাঘের আনন্দবাজার পত্রিকায় বিশিষ্ট বৈষ্ণব? লিখিয়াছেন যে মহাপ্রভুর তৎকালীন সঙ্গী যে গোবিন্দের নাম চৈতন্য-ভাগবতে পাওয়া যায়, তিনি “গোবিন্দানন্দ ।” কিন্তু এই গোবিন্দ যে বাসু ঘোষের ভ্রাতা গোবিন্দানন্দ’ নহেন, তাহা চৈতন্ত ভাগবতেই নির্দিষ্ট হইয়াছে। “রমাই গোবিন্দানন্দ শ্রীচন্দ্রশেখর। বাসুদেব শ্ৰীগৰ্ভ শ্ৰীমুকুন্দ শ্রীধর ॥ গোবিন জগদানন্দ নন্দন আচাৰ্য্য।” এখানে গোবিন্দ ও গোবিন্দানন্দ যে দুই পৃথক ব্যক্তি তাহা স্পষ্টই নিদিষ্ট হইয়াছে। চৈতন্ত ভাগবতে আরও দুই একটি জায়গায় গোবিদের উল্লেখ আছে * । গোবিন্দ কৰ্ম্মকার যে বৈরাগ্যের সময় ও তৎপূৰ্ব্ব হইতে মহাপ্রভূর সঙ্গী ছিলেন, তাহা যখন প্রায় চারি শত বৎসর পূৰ্ব্বে জয়ানন্দ স্পষ্টাক্ষরে উল্লেখ করিয়াছেন, এবং কিঞ্চিৱ ন চারি শত বৎসর পূৰ্ব্বে প্রসিদ্ধ কবি বলরামদাসও জানাইয়াছেন এবং করচ, সেই প্রমাণকে উজ্জল করিয়া দেখাইতেছে, তখন চৈতন্ত ভাগবতোক্ত এবং চৈতন্য চন্দ্রোদয় কৌমুদীর উল্লেখকে আমরা অন্ততম প্রমাণ স্বরূপ নিশ্চয়ই গ্রহণ করিতে পারি। रज * “দেখি জিজ্ঞাসেন প্ৰভু গোবিনোর স্থানে। এ বেটা আমাকে দেপি পলাইল কেনে ?” (চৈ, ভা, पञांशि १भ श्रृं: )