সিংহনাদে ঘণ্টা শব্দে অসুর বিকল॥
সিংহনাদে ঘণ্টা শব্দে ধনুর টঙ্কার।
ক্ষিতি টল মল দশ দিক অন্ধকার॥
ভয়ঙ্কর রূপে কালী মারিল হুঙ্কার।
জিহ্বা বাহিরিল আর বদন বিস্তার॥
শুনিয়া দেবীর শব্দ দৈত্য সৈন্যগণ।
ভীত চিত্তে চতুর্দ্দিকে করে পলায়ন॥
চণ্ডী কালিকা আর বাহন কেশরী।
নাশ করে দৈতা সৈন্য নানা অস্ত্র ধরি॥
দেবগণে শ্রেষ্ঠ যাঁরা বীর্য্য বল বন্ত।
ব্রহ্মা শিব ইন্দ্র আদি কার্ত্তিক অনন্ত॥
এই সব দেবগণ দেহ হ’তে শক্তি।
বাহির হইয়া যায় দুষ্পাঠ্য পার্ব্বতী॥
যে দেবের যেইরূপ বাহন ভূষণ।
সেই মতে সেই শক্তি হইল গঠন॥
বাহির হইয়া তবে দেব শক্তিগণ।
অসুর সম্মুখে যায় করিবারে রণ॥
হংস বিমানেতে চড়ি পরমা সুন্দরী।
আসিল ব্রাহ্মণী দেবী কমণ্ডলু ধারী॥
বৃষ পৃষ্ঠে আরোহণ করিয়া সুন্দরী।
ত্রিশূল ধরিয়া গেল দেবী মহেশ্বরী॥
সাজিল কুমারী দেবী শক্তি হস্তে করি।
কার্ত্তিকের শক্তি সেই অতুল সুন্দরী॥
সাজিল বৈষ্ণবী দেবী বিষ্ণুর গৃহিণী।