গরুড় উপরে শোভা করে নারায়ণী॥
শঙ্খ চক্র গদা পদ্ম ধরে চারি করে।
দেখিয়া আশ্চর্য্যরূপ দৈত্য ভয়ে মরে॥
দুষ্পাঠ্য দেবী সাজে বরাহ আকার।
শক্তি হস্তে হয় দেবী যুদ্ধে আগুসার॥
নৃসিংহিনী দেবী সাজে করি নানা মায়া।
অর্দ্ধেক মানবাকৃতি অর্দ্ধ সিংহ কায়া॥
ইন্দ্রের ইন্দ্রানী করি হস্তী আরোহণ।
বজ্র হস্তে যায় দেবী করিবারে রণ॥
সহস্র লোচন নামে খ্যাত সুরপতি।
সেই অনুসারে সাজলেক তাঁর শক্তি॥
এই মতে সাজিলেন যত শক্তিগণ।
যুধিবারে যায় যথা আছে দৈত্যগণ॥
শক্তিগণ প্রতি চণ্ডী কহিল তখন।
যুদ্ধ করি দৈত্য সৈন্য করহ নিধন॥
মহা ঘোরতর রূপে চণ্ডিকা হইতে।
শক্তি এক বহির্গত শিবা শতে শতে॥
উগ্র চণ্ডা সেই শক্তি করে নানা মায়া।
ধূম্র বর্ণ জটা তাঁর কাল বর্ণ কায়া।॥
বহির্গত শিবাগণ করে ঘোর নাদ।
দৈত্যগণ বলে বুঝি ঘটিল প্রমাদ॥
দূত প্রতি কহে দেবী যাও শীঘ্র গতি।
যথা আছে আছে শুম্ভ রাজা নিশুম্ভ প্রভৃতি॥
আর আর যেই দৈত্য যুদ্ধে উপস্থিত।