পাতা:চন্দ্রনাথ-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/১২৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

››ዓ ̇ বিংশ পরিচ্ছেদ বালিশের তলা হইতে সেই চিঠিখানি বাছির করিয়া তাহার হাতে দিয়া বলিলেন, বাবাজী পড়। পত্ৰখানা নিতান্ত মলিন হুইয়াছে, ছুই-এক যায়গায় ছিন্ন হইয়া গিয়াছে, ভাল পড়া যায় না। হরিদয়াল ঘাহা পায়িলেন, পড়িলেন । বলিলেন, সরযুর হাতের লেখা। তার হাতের লেখা বটে, আমার দাদার চিঠি। নিচে তার নাম আছে বটে ! বৃদ্ধ কথাটায় তেমন সন্তুষ্ট হইলেন না। বলিলেন, তার নাম, তার চিঠি সরযু কেবল লিখে দিয়েচে । সে যখন লিখতে শিখৰে তখন নিজের হাতেই লিখবে। - হরিদয়াল ঘাড় নাড়িলেন। 竇 কৈলাসচন্দ্র উৎসাহের সহিত বলিতে লাগিলেন,পড়লে বাবাজী, বিও আমার রাত্তিরে দাদু দাৰ্ছ বলে কেঁদে ওঠে, সে কি ভুলতে পারে ? এই সময় গও বহিয়া ফুফোটা চোখের জল বালিলে আসিয়া পড়িল । লৰীয়ার মা নিকটে ছিল, সে দয়াল ঠাকুরকে ইসারা করিয়া বাহিরে ডাকিয় বলিল, ঠাকুর যাও, তুমি খালে সারাদিন ঐ কথাই বলবে। so আরো চার-পাচ দিন কাটিয়া গেল। অবস্থা নেহাৎ মন হইয়াছে, শম্ভু মিশির আজকাল রাত্রি দিন থাকে, মাঝে মাঝে कविब्रांछ पञांजिग्नांcवृषेिग्नां दांग्न ! यांछ अमछ हिन क्षब्रिज़ ज६छ ছিল না ; সন্ধ্যার পর একটু জ্ঞান হইয়াছিল, তাহার পর অর্ধ