পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১০১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চয়নিক কঁাপিব সংগীতভরে, নক্ষত্রের প্রায় শিহরি” জলিব শুধু কম্পিত শিখায়, শুধু তরঙ্গের মতো ভাঙিয়া পড়িব তোমার তরঙ্গপানে ; বঁচিব মরিব শুধু, আর কিছু করিব না । দাও সেই প্রকাও প্রবাহ, যাহে এক মুহুতে ই জীবন করিয়া পূর্ণ, কথা না বলিয়া উন্মত্ত হইয়া যাই উদাম চলিয়া । মানসীরূপিণী ৪গো, বাসনা-বাসিনী, আলোকবসনা ওগো, নীরবভাষিণী, পর জন্মে তুমি কিগো মূতিমতী হয়ে জন্মিবে মানবগৃহে নারীরূপ লয়ে অনিন্দ্যহুন্দরী । এখন ভাসিছ তুমি আনস্তের মাঝে ; স্বর্গ হতে মত"মি করিছ বিহার ; সন্ধ্যার কনক বর্ণে রাঙিছ অঞ্চল , উষার গলিতস্বর্ণে গড়িছ মেখলা ; পূর্ণ তটিনীর জলে করিছ বিস্তার, তলতল ছল চলে ললিত যৌবনখানি, বসন্ত বাতাসে চঞ্চল বাসনাব্যথা স্বগন্ধ নিশ্বাসে করিছ প্রকাশ ; নিযুপ পূর্ণিমা রাতে নির্জন গগনে, একাকিনী ক্লাস্ত হাতে বিছাইছ দুগ্ধশুভ্র বিরহ-শয়ন ; শরং-প্রত্যুষে উঠি' করিছ চয়ন শেফালি, গাথিতে মালা, ভুলে গিয়ে শেষে, তরুতলে ফেলে দিয়ে, আলুলিত কেশে ఏ $