পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১২৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চয়নিক প্রেমের অভিষেক তুমি মোরে করেছ সম্রাট । তুমি মোরে পরায়েছ গৌরব-মুকুট । পুষ্পডোরে সাজায়েছ কণ্ঠ মোর ; তব রা জটিকা দীপিছে ললাট মাঝে মহিমার শিখা অহনিশি । আমার সকল দৈন্য লাজ, আমার ক্ষুদ্রতা যত, ঢাকিয়াছ আজি তব রাজ-অস্তেরণে । হৃদি শয্যাতল শুভ্ৰ দুগ্ধফেননিভ, কোমল শীতল, তারি মাঝে বসায়েছ ; সমস্ত জগত বাহিরে দাড়ায়ে আছে, নাহি পায় পথ সে অন্তর-অস্তঃপুরে । নিভৃত সভায় অামারে চৌদিকে ঘিরি’ সদা গান গায় বিশ্বের কবিরা মিলি’ ; আমর বীণায় উঠিয়াছে কী ঝংকার । নিত্য শুনা যায় দূর দূরাস্তর হতে দেশ-বিদেশের ভাষা, যুগযুগাস্তের কথা, দিৰসের নিশীথের গান, মিলনের বিরহের গাথা, তৃপ্তিহীন শ্রাস্তিহীন আ গ্রহের উৎকণ্ঠিত তান — প্রেমের অমরাবতী, প্রদোষ-আলোকে যেথা দময়স্তী সতী বিচরে নলের সনে দীর্ঘ-নিঃশ্বসিত অরণ্যের বিষাদ মম রে ; বিকশিত পুষ্পবীথিতলে, শকুন্তলা আছে বসি’ কর-পদ্মতল-লীন মান মুখশশী