পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৫৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


> @ とう চয়নিক কলকণ্ঠে, সন্ধ্য আসি দিবা অবসানে নির্জন প্রান্তর-পারে দিগন্তের পানে চলে যেত উদাসীন ; নিস্তব্ধ নিশীথ ঝিল্লীমস্ত্রে শুনাইত বৈরাগ্য-সংগীত নক্ষত্রসভায় । মাঝে মাঝে স্থরপুরে নৃতাপর মেনকার কনক নৃপুরে তালভঙ্গ হোত । হেলি” উর্বশীর স্তনে স্বর্ণবীণ থেকে থেকে যেন অন্যমনে অকস্মাং ঝংকারিত কঠিন পীড়নে নিদারুণ করুণ মূছন । দিত দেখা দেবতার অশ্রীহীন চোখে জলরেখা নিষ্কারণে । পতিপাশে বসি একাসনে সহসা চাহিত শচী ইন্দ্রের নয়নে যেন খুজি পিপাসার বারি । ধরা হতে মাঝে মাঝে উচ্ছসি আসিত বায়ুস্রোতে ধরণীর সুদীর্ঘ নিশ্বাস—থসি’ ঝরি* পড়িত নন্দনবনে কুস্থম-মঙ্গরী । থাকে স্বর্গ হাস্যমুখে, করে সুধাপান, । দেবগণ, স্বর্গ তোমাদেরি স্বর্থস্থান— মোর। পরবাসী । মর্ত্যভূমি স্বর্গ নহে, সে-যে মাতৃভূমি—তাই তার চক্ষে বঙ্গে অশ্র জলধারা, যদি দু-দিনের পরে কেহ তারে ছেড়ে যায় দু-দণ্ডের তরে । যত ক্ষুদ্র যত ক্ষীণ যত অভাজন যত পাপী তাপী, মেলি ব্যগ্র আলিঙ্গন সবারে কোমলবক্ষে বাধিবারে চায়— ধুলিমাখা তন্তুষ্পশে হৃদয় জুড়ায়