পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৭৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চয়নিক সাক্ষা করি পশ্চিমের স্বয অস্তমান তোমারে সঁপিয়াছিকু আমার পরান । অবসান সন্ধ্যাকালে আছিলে সেদিন নতমুখী বধুসম শাস্ত বাক্যহীন ;– সন্ধ্যাতারা একাকিনী সস্নেহ কৌতুকে । চেয়েছিল তোমাপানে হাসি ভরা মুখে । সেদিনের পর হতে, হে পদ্মা অামার, তোমায় অামায় দেখা শত শতবার | নানাকমে মোর কাছে আসে নানাজন, নাহি জানে আমাদের পরান-বন্ধন, নাহি জানে কেন আসি সন্ধ্যা-অভিসারে বালুকা-শয়ন-পাত নির্জন এ পারে । । যখন মুখর তব চক্রবাকদল স্বপ্ত থাকে জলাশয়ে ছাড়ি’ কোলাহল ; যখন নিস্তন্ধ গ্রামে তব পূর্বতীরে রুদ্ধ হয়ে যায় দ্বার কুটীরে কুটীরে, তুমি কোন গান করে আমি কোন গান দুই তীরে কেহ তার পায়নি সন্ধান । নিভৃতে শরতে গ্রীষ্মে শীতে বরষায় কতবার দেখা শোনা তোমায় অামায় { কতদিন ভাবিয়াছি বসি’ তব তীরে,--- পরজন্মে এ ধরায় যদি আসি ফিরে, যদি কোনো দূরতর জন্মভূমি হতে তরী বেয়ে ভেসে আসি তব খরস্রোতে,— কত গ্রাম কত মাঠ কত ঝাউঝগড় কত বালুচর কত ভেঙে-পড়া পাড় ›ዓ¢