পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৯৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চয়নিক তন্থ দেহে রক্তাস্বর নীবিবন্ধে বাধা, চরণে নৃপুরখানি বাজে আধা আধা । বসস্তের দিনে ফিরেছিকু বহুদূরে পথ চিনে চিনে । মহাকাল মন্দিরের মাঝে তখন গম্ভীর মন্দ্রে সন্ধ্যারতি বাজে । জনশূন্ত পণ্যবীথি,—উধেব যায় দেখ। অন্ধকার হর্মা-’পরে সন্ধ্যারশ্মিরেখা । প্রিয়ার ভবন বঙ্কিম সংকীর্ণপথে দুর্গম নির্জন । দ্বারে আঁকা শঙ্খ চক্র, তারি দুই ধারে দুটি শিশু নীপতরু পুত্রস্নেহে বাড়ে । তোরণের শ্বেতস্তম্ভ-’পরে সিংহের গম্ভীর মৃতি বসি দম্ভ ভরে । প্রিয়ার কপোতগুলি ফিরে এল ঘরে, ময়ূর নিদ্রায় মগ্ন স্বর্ণদ গু-' পরে । হেনকালে হাতে দীপ-শিখা ধীরে ধীরে নামি" এল মোর মালবিক । দেখা দিল ধারপ্রাস্তে সোপানের পরে সন্ধ্যার লক্ষ্মীর মতো সন্ধ্যাতারা-করে । অঙ্গের কুসুমগন্ধ কেশ-ধূপবাস ফেলিল সর্বাঙ্গে মোর উত্তলা নিঃশ্বাস । প্রকাশিল অধচাত বসন-অস্তরে চন্দনের পত্ৰলেখা বাম পয়ো ধরে । দাড়াইল প্রতিমার প্রায় নগরগুকনক্ষান্ত নিস্তন্ধ সন্ধ্যায় ॥ >ぬ>