পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৩৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চয়নিক శ్రీ రీ বিপ্ৰ তাড়াতাড়ি আসি, খুড়িয়া বালুকারাশি পাইল সে-মণি, লোহার মাদুলি দুটি সোনা হয়ে উঠে ফুটি', ছুইল যেমনি ॥ ব্রাহ্মণ বালুর পরে বিস্ময়ে বসিয়া পড়ে— ভাবে নিজে নিজে । যমুনা কল্লোল-গানে চিন্তিতের কানে কানে কহে কত কী-যে । নদী-পারে রক্তছবি দিনাস্তের ক্লাস্ত রবি গেল আস্তাচলে,— তপন ব্রাহ্মণ উঠে সাধুর চরণে লুটে কহে অশ্র-জলে,— “যে-ধনে হইয়া ধনী মণিরে মানো না মণি, তাহারি খানিক মাগি আমি নতশিরে ”—এত বলি' নদী-নীরে ফেলিল মানিক ৷ ( ২৯ আশ্বিন ১৩০৬ ) –কথা । বন্দী বীর পঞ্চ নদীর তীরে বেণী পাকাইয়া শিরে দেপিতে দেখিতে গুরুর মন্ত্রে জাগিয়া উঠেছে শিখ নির্মম নিভীক । হাজার কণ্ঠে গুরুজীর জয় ধ্বনিয়া তুলেছে দিক । নূতন জাগিয়া শিখ নূতন উষার স্বর্ষের পানে চাহিল নির্নিমিখ ॥