পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৬৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২৬৪ চয়নিক নাচিছে ভুবনে, সেই প্রাণ চুপে চুপে বস্থধার মৃত্তিকার প্রতি রোমকুপে লক্ষ লক্ষ তৃণে তৃণে সঞ্চারে হরষে, বিকাশে পল্লবে পুষ্পে,—বরষে বরষে, বিশ্বব্যাপী জন্মমৃত্যু-সমুদ্র-দোলায় দুলিতেছে অন্তহীন জোয়ার ভাটায়। করিতেছি অন্তভব, সে অনন্ত প্রাণ অঙ্গে অঙ্গে আমারে করেছে মহীয়ান । সেই যুগযুগাস্তের বিরাট স্পন্দন আমার নাড়ীতে আজি করিছে নৰ্তন ॥ ( * বৈশাখ, ১৩০৮ ) —নৈবেদ্য যুগান্তর শতাব্দীর সুর্য আজি রজ্বমেঘ-মাঝে অস্ত গেল,—হিংসার উৎসবে আজি বাজে অস্ত্রে অস্ত্রে মরণের উন্মাদ রাগিণী ভয়ংকরী । দয়াহীন সভ্যতা-নাগিনী তুলেছে কুটিল ফণা চক্ষের নিমেষে, গুপ্ত বিষদস্ত তার ভরি’ তীব্র বিষে । স্বার্থে স্বার্থে বেধেছে সংঘাত,—লোভে লোভে ঘটেছে সংগ্রাম ;–প্রলয়-মন্থন-ক্ষোভে ভদ্রবেশী বর্বরতা উঠিয়াছে জাগি পঙ্কশষ্যা হতে । লজ্জা শরম তেয়াগি