পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৮৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ახrw) চয়নিক জীবনের দিকচক্র-সীমা লভিয়াছে অপূর্ব মহিমা, অশ্র-ধৌত হৃদয়-আকাশে দেখা যায় দূর স্বৰ্গপুরী । তুমি মোর জীবনের মাঝে মিশায়েছ মৃত্যুর মাধুরী ৷ তুমি ওগো কল্যাণরূপিণী মরণেরে করেছ মঙ্গল । জীবনের পরপার হতে প্রতিক্ষণে মত্যের আলোতে পাঠাইছ তব চিত্তখানি মৌনপ্রেমে সজল-কোমল । মৃত্যুর নিভৃত স্নিগ্ধ ঘরে বসে আছ বাতায়ন-’পরে, জালায়ে রেগেছ দীপখানি চিরন্তন আশায় উজ্জল । তুমি ওগো কল্যাণরূপিণী মরণেরে করেছ মঙ্গল । তুমি মোর জীবন মরণ বাধিয়াছ দু-টি বাহু দিয়া । প্রাণ তব করি’ অনাবৃত মৃত্যুমাঝে মিলালে অমৃত, মরণেরে জীবনের প্রিয় নিজ হাতে করিয়াছ, প্রিয়া । খুলিয়া দিয়াছ দ্বারখানি, যবনিকা লইয়াছ টানি’, জন্ম-মরণের মাঝখানে নিস্তব্ধ রয়েছ দাড়াইয়া । তুমি মোর জীবন-মরণ স্বাধিয়াছ দু-টি বাহু দিয়া ॥ ( * মাঘ, ১৩০৯ ) =সন্মরণ ।