পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩১১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


घ्ग्रनिको రీ వ রমণীরা মোতির সিথি পরে না কেউ কেশে, দেউলে নেই সোনার চুড়া সব-পেয়েছির দেশে । পথের ধারে ঘাস উঠেছে গাছের ছায়াতলে, স্বচ্ছতরল স্রোতের ধারা পাশ দিয়ে তার চলে। কুটারেতে বেড়ার পরে দোলে ঝুমকো-লতা ; সকাল হতে মৌমাছিদের ব্যস্ত ব্যাকুলত । ভোরের বেলা পথিকেরা কী কাজে যায় হেসে— সাজে ফেরে বিনা-বেতন সব-পেয়েছির দেশে । আঙিনাতে দুপুর বেলা মৃদুকরুণ গেয়ে বকুলতলার ছায়ায় ব’সে চরকা কাটে মেয়ে । মাঠে মাঠে ঢেউ দিয়েছে নতুন কচি ধানে, কিসের গন্ধ কাহার বঁশি, হঠাৎ আসে প্রাণে । নীল আকাশের হৃদয়খনি সবুজ বনে মেশে, যে চলে সেই গান গেয়ে যায় সব-পেয়েছির দেশে । সদাগরের নৌকা যত চলে নদীর পরে— হেথায় ঘাটে বাধে না কেউ কেনাবেচার তরে । সৈন্যদলে উড়িয়ে ধ্বজা কঁাপিয়ে চলে পথ ; হেথায় কতু নাহি থামে মহারাজের রথ । এক রজনীর তরে হেথা দূরের পান্থ এসে দেখতে না পায় কী আছে এই সব-পেয়েছির দেশে নাইকো পথে ঠেলাঠেলি, নাইকো হাটে গোল, ওরে কবি, এইখানে তোর কুটারখানি তোল ;