পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩২৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চঞ্চুলিকা ৩২১ চলেছিলেম পূজার ঘরে সাজিয়ে ফুলের অর্ঘ্য । খুজি সারাদিনের পরে কোথায় শাস্তি-স্বৰ্গ । এবার আমার হৃদয়-ক্ষত ভেবেছিলেম হবে গত, ধুয়ে মলিন চিহ্ন যত হব নিষ্কলঙ্ক । পথে দেখি ধুলায় নত তোমার মহাশঙ্খ ॥ আরতি-দীপ এই কি জালা । এই কি আমার সন্ধ্যা । গাথব রক্ত-জবার মালা ! হায় রজনীগন্ধা । ভেবেছিলেম যোঝাযুঝি মিটিয়ে পাব বিরাম খুজি', চুকিয়ে দিয়ে ঋণের পুজি লব তোমার অঙ্ক । হেনকালে ডাকল বুঝি নীরব তব শঙ্খ ॥ যৌবনেরি পরশমণি করাও তবে স্পর্শ ; দীপক-তানে উঠুক ধ্বনি দীপ্ত প্রাণের হর্ষ । নিশার বক্ষ বিদার ক’রে উদ্বোধনে গগন ভ'রে অন্ধ দিকে দিগন্তরে জাগাও না আতঙ্ক । দুই হাতে আজ ভুলব ধ’রে তোমার জয়শখ ॥ জানি জানি তন্দ্রা মম রইবে না অার চক্ষে । জানি শ্রাবণ-ধারা সম বাণ বাজিবে বক্ষে । কেউ বা ছুটে আসবে পাশে, কাদবে বা কেউ দীর্ঘশ্বাসে; দুঃস্বপনে কাপধে ত্রাসে স্কপ্তির পালঙ্ক। বাজৰে যে আজ মহোল্লাসে ভোগার মহাশখ ॥ २>