পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৩৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ध्ग्रनिको প্রভাতের অরুণ-আভাসে, ক্লাস্ত-সন্ধ্যা দিগন্তের করুণ নিশ্বাসে, পূর্ণিমায় দেহহীন চামেলির লাবণ্য-বিলাসে, ভাষার অতীত তীরে কাঙাল নয়ন যেথা দ্বার হতে আসে ফিরে ফিরে তোমার সৌন্দৰ্য-দূত যুগ যুগ ধরি’ এড়াইয়া কালের প্রহরী চলিয়াছে বাক্যহারা এই বার্তা নিয়া “ভুলি নাই, ভুলি নাই, ভুলি নাই প্রিয়া ।” চলে গেছ তুমি আজ, মহারাজ ; রাজ্য তব স্বপ্নসম গেছে ছুটে, সিংহাসন গেছে টুটে ; তব সৈন্যদল— যাদের চরণভরে ধরণী করিত টলমল— তাহাদের স্মৃতি আজ বায়ুভরে উড়ে যায় দিল্লির পথের ধূলি-পরে । বন্দীরা গাহে না গান, যমুনা-কল্লোলসাথে নহবং মিলায় না তান ; তব পুরস্কন্দরীর নুপুর-নিক্কণ ভগ্নপ্রাসাদের কোণে ম’রে গিয়ে ঝিল্লীস্বনে কাদায় রে নিশার গগন তবুও তোমার দূত আমলিন, প্রান্তি-ক্লাস্তি-হীন, তুচ্চ করি’ রাজ্য ভাঙা-গড়া তুচ্ছ করি জীবন-মৃত্যুর ওঠা-পড়া.