পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৩৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৩৩৪ চয়নিকা চলিয়াছে রাত্রির আহবানে নক্ষত্রের গানে প্রভাতের সিংহদ্বার-পানে । তাই স্মৃতিভারে আমি পড়ে আছি, ভারমুক্ত সে এখানে নাই । ( কাতিক, ১৩২১ ) চঞ্চল হে বিরাট নদী, অদৃশু নি:শব্দ তব জল অবিচ্ছিন্ন অবিরল চলে নিরবধি । স্পন্দনে শিহরে শূন্ত তব রুদ্র কায়াহীন বেগে ; বস্তুহীন প্রবাহের প্রচণ্ড আঘাত লেগে পুঞ্জ পুঞ্জ বস্তুফেনা উঠে জেগে, আলোকের তীব্রচ্ছটা বিচ্ছুরিয় উঠে বর্ণস্রোতে ধাবমান অন্ধকার হতে ; ঘূর্ণাচক্রে ঘুরে ঘুরে মরে স্তরে স্তরে স্বৰ্ধ চন্দ্র তারা যত বুদ্ধদের মতো। হে ভৈরবী, ওগো বৈরাগিণী, চলেছ-যে নিরুদ্দেশ সেই চলা তোমার রাগিণী, শব্দহীন মুর । —বলাক ।