পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৪৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চয়নিকা *82) এ সংসারে এসেছিলেম ন-বছরের মেয়ে, তার পরে এই পরিবারের দীর্ঘ গলি বেয়ে দশের-ইচ্ছা-বোঝাই-করা এই জীবনটা টেনে টেনে শেষে পৌছি আজ পথের প্রাস্তে এসে । মুখের দুখের কথা একটুখানি ভাবব এমন সময় ছিল কোথা । এই জীবনটা ভালো, কিংবা মন্দ, কিংবা যা-হোক-একটা-কিছু, সে-কথাটা বুঝব কথন, দেখব কখন, ভেবে আগু-পিছু । একটানা এক ক্লাস্ত সুরে কাজের চাকা চলছে ঘুরে ঘুরে । বাইশ বছর রয়েছি সেই এক চাকাতেই বাধা পাকের ঘোরে আঁধা । জানি নাই তো আমি-যে কী, জানি নাই এ বৃহৎ বস্থদ্ধর s কী অর্থে-যে ভর । শুনি নাই তো মাছুষের কী বাণী । মহাকালের বীণায় বাজে । আমি কেবল জানি রাধার পরে খাওয়া, আবার খাওয়ার পরে রাধা, বাইশ বছর এক চাকাতেই বাধা । মনে হচ্ছে সেই চাকাটা ঐ-যে থামল যেন ; থামুক তবে । আবার ওষুধ কেন । বসন্তকাল বাইশ বছর এসেছিল বলের আঙিনায় । , গন্ধে বিভোল দক্ষিণ-বায় দিয়েছিল জলস্থলের মর্ম-দোলায় দোল, -- হেঁকেছিল, “খোলরে ছুয়ার খোলা" " সে-যে কখন আসত যেত জামতে পেতেজ মা-ফে{