পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৫৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চয়নিক ه وانكا কখন শিশুকালে হৃদয়-লতার পাতার অন্তরালে বেরিয়েছিল একটি কুঁড়ি প্রাণের গোপন রহস্য-তল ফুড়ি ; জানত না তো আপনাকে সে, শুধায়নি তার নাম কোনোদিন বাহির হতে খেপা বাতাস এসে, সেই কুঁড়ি আজ অন্তরে তার উঠছে ফুটে মধুর রসে ভরে উঠে । সে-যে প্রেমের ফুল আপন রাঙা পাপড়ি-ভারে আপনি সমাকুল । আপনাকে তার চিনতে-যে আর নাইকো বাকি, তাই তো থাকি' থাকি? চমকে ওঠে নিজের পানে চেয়ে । আকাশ-পারের বাণী তা রে ডাক দিয়ে যায় আলোর ঝরন। বেয়ে ; রাতের অন্ধকারে কোন অসীমের রেiদন-ভরা বেদন লাগে তা’রে । বাহির হতে তা'র ঘুচে গেছে সকল অলংকার ; অস্তর তা’র রাঙিয়ে ওঠে স্তরে স্তরে, তাই দেখে সে আপনি ভেবে মরে । কখন কাজের ফাকে জানল ধীরে চুপ করে সে বাইরে চেয়ে থাকে— যেখানে ঐ সজনে গাছের ফুলের ঝুরি বেড়ার গায়ে রাশি রাশি হাসির ঘায়ে আকাশটারে পাগল করে দিবসরাতি । যে ছিল তার ছেলেবেলার খেলাঘরের সাথী 置 জাজ সে কেমন ক’রে জলস্থলের হৃদয়খানি দিল ভ’রে । ": *