পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৫৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


5ग्रनिक ذويه অরূপ হয়ে সে ধেন আজি সকল রূপে রূপে মিশিয়ে গেল চুপে চুপে । পায়ের শব্দ তারি মর্মরিত পাতায় পাতায় গিয়েছে সঞ্চারি’ । কানে কানে তারি করুণ বাণী মৌমাছিদের পাথার গুনগুনানি । মেয়ের নীরব মুখে কী দেখে মা, শেল বাজে তার বুকে । না-বলা কোন গোপন কথার মায়া মঞ্জলিকার কালো চোখে ঘনিয়ে তোলে জলভরা এক ছায়া ; আশ্র-ভেজা গভীর প্রাণের ব্যথা এনে দিল অধরে তার শরৎ-নিশির স্তব্ধ ব্যাকুলত । মায়ের মুখে অন্ন রোচে না কো— কেঁদে বলে,"তায় ভগবান, অভাগীরে ফেলে কোথায় থাকে।” একদা বাপ দুপুর বেলায় ভোজন সাঙ্গ ক’রে গুড়গুড়িটার নলটা মুখে ধ’রে, ঘুমের আগে, যেমন চিরাভ্যাস, পড়তেছিলেন ইংরেজি এক প্রেমের উপন্যাস । মা বললেন, বাতাস ক’রে গায়ে, কখনো-বা হাত বুলিয়ে পায়ে, “ঘার খুশি সে নিন্দে করুক, মরুক বিষে জারে আমি কিন্তু পারি যেমন ক’রে 魯 মঞ্জুলিকার দেবই দেব বিয়ে ।” বাপ বললেন, কঠিন হেসে,"তোমরা মায়ে ঝিয়ে এক লগ্নেই বিয়ে কোরো আমার মরার পরে, সেই ক-টা দিন থাকো ধৈর্য ধ’রে ।”