পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৭৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Φινο क्रग्रनिक চঞ্চল মুহূর্ত যত অন্ধকারে দুঃসহ নৈরাশে নিবিড় নিস্তব্ধ হয়ে তপস্যার নিরুদ্ধ নিঃশ্বাসে শান্ত হয়ে আসে ৷ জানি জানি, এ তপস্যা দীর্ঘরাত্রি করিছে সন্ধান চঞ্চলের নৃত্যস্রোতে আপন উন্মত্ত অবসান দুরন্ত উল্লাসে । বন্দী যৌবনের দিন আবার শৃঙ্খল হীন বারে বারে বাহিরিবে ব্যগ্র বেগে উচ্চ কলোচ্ছাসে। বিদ্রোহী নবীন বীর, স্থবিরের শাসন-নাশন, বারে বারে দেখা দিবে, আমি রচি তারি সিংহাসন, তারি সম্ভাষণ ॥ তপোভঙ্গ দূত আমি মহেঞ্জের, হে রুদ্র সন্ন্যাসী, স্বর্গের চক্রান্ত আমি। আমি কবি যুগে যুগে আসি তব তপোবনে । দুৰ্জয়ের জয়-মালা পূর্ণ করে মোর ডালা, উদামের উতরোল বাজে মোর ছন্দের ক্রন্দনে । ব্যথার প্রলাপে মোর গোলাপে গোলাপে জাগে বাণী কিশলয়ে কিশলয়ে কৌতুহল-কোলাহল আনি মোর গান হানি ॥ হে শুষ্ক বন্ধলধারী বৈরাগী, ছলনা জানি সব, সুন্দরের হাতে চাও আনন্দে একান্ত পরাভব ছদ্ম-রণ-বেশে। । বারে বারে পঞ্চশরে অগ্নিতেজে দঙ্ক ক’রে দ্বিগুণ উজ্জল করি’ বারে বারে বঁাচাইবে শেষে ।