পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৮৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চয়নিক। ©brጻ আশ্বিনের রৌত্রে সেই বন্দী প্রাণ হয় বিস্ফুরিত উৎকণ্ঠার বেগে, যেন শেফালির শিশির-ছুরিত উংসুক আলোক । তরঙ্গ হিরোলে নাচে রশ্মি তব, বিস্ময়ে পূরিত করে মুগ্ধ চোখ ॥ 源 তেজের ভাণ্ডার হতে কী আমাতে দিয়েছ যে ভ’রে কেই-ব? সে জানে । কী জাল হতেছে বোন স্বপ্নে স্বপ্নে নানা বর্ণডোরে মোর গুপ্ত-প্রাণে । তোমার দূতীর আঁকে ভুবন-অঙ্গনে আলিম্পন, মুহূর্তে সে ইন্দ্রজাল অপরূপ রূপের কল্পনা মুছে যায় স’রে । তেমনি সহজ হোক হাসি কান্না ভাবনা বেদনা, না বাধুক মোরে । তারা সবে মিলে থাক অরণ্যের স্পন্দিত পল্পবে, শ্রাবণ বর্ষণে । যোগ দিক নিঝরের মঞ্জীর-গুঞ্জন-কলরবে উপল ঘর্ষণে, ঝঞ্চার মদির-মত্ত বৈশাখের তাওব লীলায় বৈরাগী বসন্ত যবে আপনার বৈভব বিলায়, সঙ্গে যেন থাকে । তার পরে যেন তার সর্বহার দিগন্তে মিলায়, চিহ্ন নাহি রাখে ॥ * হে রবি প্রাঙ্গণে তব শরতের সোনার বঁাশিতে জাগিল মূর্ছনা । ای আলোতে শিশিরে বিশ্ব দিকে দিকে অপ্রতে হাসিতে क्लषंग्ल ऐंठग्रनीं । ।