পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৯২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Woš क्रघ्ननेिक হে আত্মবিশ্বত, যদি দ্রুত তুমি না যেতে চমকি' বারেক ফিরায়ে মুখ পথ-মাঝে দাড়াতে থমকি? তাহোলে পড়িত ধরা রোমাঞ্চিত নিঃশব্দ নিশায় দুজনের জীবনের ছিল যা চরম অভিপ্রায় । তাহোলে পরম লগ্নে, সখি, সে ক্ষণকালের দীপে চিরকাল উঠিত আলোকি' ॥ হে পান্থ, সে পথে তব ধূলি আজ করি যে সন্ধান ; বঞ্চিত মুহূর্তখানি পড়ে আছে, সেই তব দান। অপূর্ণের লেখাগুলি তুলে দেখি, বুঝিতে না পারি, চিহ্ন কোনো রেখে যাবে, মনে তাই ছিল কি তোমারি । ছিন্ন ফুল, এ কি মিছে ভান কথা ছিল শুধাবার, সময় হোলো যে অবসান ॥ গেল না ছায়ার বাধ, না-বোঝার প্রদোষ-আলোকে স্বপ্নের চঞ্চল মূতি জাগায় আমার দীপ্ত চোখে সংশয়-মোহের নেশা । সে মূর্তি ফিরিছে কাছে কাছে আলোতে আঁধারে মেশা, তবু সে অনন্ত দূরে আছে মায়াচ্ছন্ন লোকে । অচেনার মরীচিকা আকুলিছে ক্ষণিকার শোকে ॥ থোলে, খোলো, হে আকাশ, স্তব্ধ তব নীল যবনিকা । খুজিব তারার মাঝে চঞ্চলের মালার মণিক । খুজিব সেথায় আমি যেথা হতে আসে ক্ষণতরে আশ্বিনে গোধূলি আলে, যেথা হতে নামে পৃথ্বী পরে শ্রাবণের সায়াহ-যুথিকা, যেথা হতে পরে ঝড় বিদ্যুতের ক্ষণদীপ্ত টীকা ॥ (৬ অক্টোবর, ১৯২৪ ) . —পুরী।