পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৯৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ध्भ्रमिको সমুদ্র X হে সমুদ্র, স্তন্ধ চিত্তে শুনেছিষ্ট গর্জন তোমার রাত্রিবেলা ; মনে হোলো গাঢ় নীল নিঃসীম নিদ্রার স্বপ্ন ওঠে কেঁদে কেঁদে । নাই, নাই, তোমার সাক্ষ্মন ; যুগ যুগান্তর ধরি’ নিরস্তর স্বষ্টির যন্ত্রণা তোমার রহস্য-গর্তে ছিন্ন করি কৃষ্ণ আবরণ প্রকাশ সন্ধান করে । কত মহা দ্বীপ মহা-বন এ তরল রঙ্গশালে রূপে প্রাণে কত নৃত্যে গানে দেখা দিয়ে কিছুকাল, ডুবে গেছে নেপথ্যের পানে নিঃশবা গভীরে । হারানো সে চিহ্ন-হারা যুগগুলি মূর্তিহীন ব্যর্থতায় নিত্য অন্ধ আন্দোলন তুলি’ হানিছে তরঙ্গ তব । সব রূপ সব নৃত্য তার ফেনিল তোমার নীলে বিলীন দুলিছে একাকার । স্থলে তুমি নানা গান উৎক্ষেপে করেছ আবর্জন, জলে তব এক গান, অব্যক্তের অস্থির গর্জন ॥ হে সমুদ্র, এক আমি মধ্যরাতে নিদ্রাহীন চোখে কল্পোল মরুর মধ্যে দাড়াইয়া, স্তন্ধ উধ্ব লোকে চাহিলাম ; শুনিলাম নক্ষত্রের রন্ধে রন্ধে বাজে আকাশের বিপুল ক্রমান ; দেখিলাম শূন্ত-মাঝে উমাধারের আলোক ব্যগ্ৰতা । কত শত মম্বন্তরে কত জ্যোতিলোক গুঢ় বহ্নিময় বেদনার ভরে অন্মুটের আচ্ছাদন দীর্ণ করি’ তীক্ষ রশ্মিঘাতে কালের বক্ষের মাঝে পেল স্থান প্রোজ্জল প্রভাতে 4 לס\