পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৪৫৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


| | চয়নিক وا4N) 8 সেই শুনে কোনো কোনো দিন বা বৈকুণ্ঠে লক্ষ্মীর আসন টলেছিল, তিনি পাঠিয়ে দিয়েছেন তার কোনো কোনো দূতীকে পলাশ বনের রং-মাতাল ছায়াপথে কাজ-ভোলানো সকাল বিকালে । তখন কানে কানে মৃদু গলায় তাদের কথা শুনেছি, কিছু বুঝেছি কিছু বুঝিনি। দেখেছি কালো চোখের পক্ষরেখায় l জলের আভাস ; দেখেছি কম্পিত অধরে নির্মীলিত বাণীর বেদনা ; শুনেছি কণিত কঙ্কণে চঞ্চল আগ্রহের চকিত ঝংকার । তারা রেখে গেছে আমার অজানিতে পচিশে বৈশাখের প্রথম ঘুম-ভাঙা প্রভাতে নতুন ফোটা বেলফুলের মালা ; ভোরের স্বপ্ন তারি গদ্ধে ছিল বিহবল ৷ সেদিনকার জন্মদিনের কিশোর জগৎ ছিল রূপকথার পাড়ার গায়ে-গায়েই, জানা না-জানার সংশয়ে । সেখানে রাজকন্যা আপন এলোচুলের আবরণে কখনো-বা ছিল ঘুমিয়ে, কখনো-বা জেগেছিল চমকে উঠে” সোনার কাঠির পরশ লেগে ।