পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


©8 চয়নিক কাছে যাই, তেমনি হাসিয়া নবীন যৌবনময় প্রাণে, কেন হেরি অশ্রঞ্জল, झुलएझन्न श्लोश्ण, রূপ কেন রাহগ্ৰস্ত মানে-অভিমানে । প্রাণ দিয়ে সেই দেবী-পূজা চেয়ো না চেয়ে না তবে অার । এসে থাকি দুই জনে মুখে দুঃখে গৃহকোণে, দেবতার তরে থাক পুষ্প আর্ঘ্যভার । ( ২৩ আগ্রহায়ণ, ১২৯৪ ) একাল ও সেকাল বর্ষ এলায়েছে তার মেঘময় বেণী । গাঢ় ছায়া সারাদিন, মধ্যাহ্ন তপনহীন, দেখায় শু্যামলতর শু্যাম বনশ্রেণী । আজিকে এমন দিনে শুধু পড়ে মনে সেই দিবা-অভিসার পাগলিনী রাধিকার, না জানি সে কবেকার দুর বৃন্দাবনে । সে-দিনও এমনি বায়ু রহিয়া রহিয়া । এমনি অশ্রাস্ত বৃষ্টি, তড়িৎ-চকিতদৃষ্টি, এমনি কাতর হায় রমণীর হিয়া । —মানসী।