পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৭১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চয়নিক সকলে মিলিয়া শেষে হয় একাকার সমস্ত গগনতল করে অধিকার । সেদিনের পরে গেছে কত শতবার প্রথম দিবস, ক্ষিপ্ত নব বরষার । প্রতি বর্ষা দিয়ে গেছে নবীন জীবন তোমার কাব্যের পরে, করি বরিষণ নববৃষ্টিবারিধারা ; করিয়া বিস্তার নবঘনস্নিগ্ধচ্ছায়া ; করিয়া সঞ্চার নব নব প্রতিধ্বনি জলদ-মন্দ্রের ; স্ফীত করি" শ্ৰেণ তোবেগ তোমার ছন্দের বর্ষা-তরঙ্গিণী-সম । । কত কাল ধ’রে কত সঙ্গিহীন জন, প্রিয়াহীন ঘরে, বৃষ্টিক্লান্ত বহুদীর্ঘ লুপ্ত-তারাশশী আষাঢ় সন্ধ্যায়, ক্ষীণ দীপালোকে বসি" ওই ছন্দ মন্দ মন্দ করি’ উচ্চারণ নিমগ্ন করেছে নিজ বিজন-বেদন । সে-সবার কণ্ঠস্বর কর্ণে অাসে মম সমুদ্রের তরঙ্গের কলধ্বনি সম তব কাব্য হতে । ভারতের পূর্বশেষে আমি ব"সে আজি ; যে-শু্যামল বঙ্গদেশে জয়দেব কবি, আর এক বর্ষাদিনে দেখেছিলা দিগন্তের তমাল বিপিনে শুামচ্ছায়া, পূর্ণ মেঘে মেদুর অম্বর ।