পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৮০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চল্পনিক হেঁটোয় কণ্টক দাও, উপরে কণ্টক, ভালকুত্তাদের মাঝে করহ বণ্টক ।” সতের মিনিট কাল ন হইতে শেষ, ম্লেচ্ছ পণ্ডিতের আর না মিলে উদ্দেশ । সভাস্থ সবাই ভাসে আনন্দা শ্রনীরে, ধম রাজ্যে পুনর্বার শান্তি এল ফিরে । পণ্ডিতেরা মুখ চক্ষু করিয়া বিকট পুনর্বার উচ্চারিল—“হিং টিং ছট্‌ ৷” স্বপ্নমঙ্গলের কথা অমৃতসমান, গৌড়ানন্দ কবি ভনে, শুনে পুণ্যবান । অতঃপর গৌড় হতে এল হেন বেল। যব ন পণ্ডিতদের গুরু-মারা চেলা । নগ্নশির, সজ্জা নাই লজ্জা নাই ধড়ে— কাছ কোচা শতবণর থ’সে থ"সে পড়ে । অস্তিত্ব আছে না আছে, ক্ষীণ থর্বদেহ, বাক্য যবে বাহিরগয় না থাকে সন্দেহ । এতটুকু যন্ত্র হতে এত শব্দ হয় দেখিয়া বিশ্বের লাগে বিষম বিস্ময় । ন। জানে অভিবাদন, না পুছে কুশল, পিতৃনাম শুধাইলে উদ্যত মুষল । সগর্বে জিজ্ঞাসা করে, “কী লয়ে বিচার । শুনিলে বলিতে পারি কথা দুই-চার ; ব্যাখ্যায় করিতে পারি উলট-পালট ।” সমস্বরে কহে সবে—“হিং টিং ছট্‌ ৷” স্বপ্নমঙ্গলের কথা অমৃতসমান, গোঁড়ানন্দ কবি ভনে, শুনে পুণ্যবান ।