পাতা:চয়নিকা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৮৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চয়নিক দুয়fরে রহিলি ব’সে ছবির মতন, আমি দেখে চলে একু মুছিয়া নয়ন । চলিতে চলিতে পথে হেরি দুই ধারে শরতের শস্যক্ষেত্র নত শস্ত্যভারে রৌদ্র পৌহাইছে । তরুশ্রেণী উদাসীন রাজপথপাশে, চেয়ে অাছে সারাদিন অfপন ছায়ার পানে বহে খরবেগ শরতের ভরা গঙ্গা । শুভ্র খাগুমেঘ মাতৃদুগ্ধ-পরিতৃপ্ত স্বাগনিদ্রারত সদ্যোজাত স্বকুমার গো বংসের মতে। নীলাম্বরে শুয়ে । দীপ্ত রৌদ্রে অনাবৃত যুগযুগাস্তরক্লাস্ত দিগম্ভবিস্তৃত ধরণীর পানে চেয়ে ফেলিক্স নিঃশ্বাস । কী গভীর দুঃখে মগ্ন সমস্ত আকাশ, সমস্ত পৃথিবী । চলিতেছি যত দূর । শুনিতেছি একমাত্র মর্যাস্তিক স্বর, “যেতে আমি দিব না তোমায় ।” ধরণীর প্রাস্ত হতে নীলাভ্রের সর্বপ্রান্তর্তীর ধ্বনিতেছে চিরকাল অনাস্থ্যস্ত রবে “যেতে নাহি দিব । যেতে নাহি দিব ।" সবে কহে, “যেতে নাহি দিব ।” তৃণ ক্ষুত্র অতি তা’রেও বাধিয়া বক্ষে মাতা বস্থমতী কহিছেন প্রাণপণে “যেতে নাহি দিব ।” আয়ুক্ষীণ দীপমুখে শিখ নিব’-নিৰ’ আধারের গ্রাস হতে কে টানিছে তা"রে কহিতেছে শতবার, “যেতে দিব না রে ।” 약속