বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:চারুনীতি-পাঠ.djvu/৬১

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

৫২ চাৰুনীতি পাঠ । আছে । অপযশের ভাগী হওয়া বা জগতের অজ্ঞাত থাকা ত মৃত্যুর সমান । যাহাকে দশজনে চিনিল না তাহার আর বাচিয়া আবশ্যক কি ?” এইরূপে যশেলিগু, আমাকে অনেক কথা শুনাইয়া দিলেন । জ্ঞানাভিমানী শিক্ষিতের প্রতি –ভাই ! তুমি যে রাশি রাশি পুস্তক পাঠ করিয়া থাক, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাধিলাভের জন্য যে তুমি রাত্রি জাগরণাদি দ্বারা শরীরকে ক্ষয় কর, তোমার অবলম্বিত কাৰ্য্যই কি জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য ? জ্ঞানাভিমানীর উত্তর ।—“তাহীও কি আবার জিজ্ঞাস্য ! যে পুস্তক পাঠ করিতে না জানে, সভায় বক্তৃত দি করিতে না পারে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাধি রূপ রত্ন লাভে অসমর্থ, চক্ষু থাকিতেও অন্ধ, তাহার ত পশু জন্ম আজিও ঘুচে নাই, আর উপাধিরত্ন আহরণ করিতে যে অক্ষম, সে একান্তই দীনহীন ও নিতান্ত কৃপাপাত্র । ” এই প্রকারে জীবনের উদ্দেশ্য কি ? এই প্রশ্নের পৃথক পৃথক উত্তর পাইয়া আমার মনে হইল যে, সকলের কথাই কিছু সত্য হইতে পারে না, যদি এক জনের সত্য হয় তবে অপরের কথা অসত্য তাঁহাতে সন্দেহ নাই। অতএব আত্মদৃষ্টি করিয়া দেখা যাউক কি সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায়। পূৰ্ব্বোক্ত উত্তরের বিচার। এক্ষণে, বিচার করিয়া দেখি, ধনোপার্জনই কি আমার জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য হইতে পারে ? আচ্ছা, আমি যদি রাশি রাশি ধনের অধিকারী হই, তাহ হইলে কি আমার সকল আশা মিটিৰে ? সহস্র বা লক্ষপতি হইয়াও যদি আমার