পাতা:চিঠিপত্র (ঊনবিংশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৫১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৩৩৪-এ 'নটরাজ পর্ব ধরে এই গুরুদ্রোহ যাত্রার শুরু হয়। ১৩৩৫ বঙ্গাব্দের আশ্বিন থেকে ‘শনিবারের চিঠি’ নবপর্যায় প্রকাশিত হয়। এবং তখন থেকে ১৩৪৫ অবধি দীর্ঘ দশ বছর ধরে চলে তীব্র রবীন্দ্রবিদূষণ পর্ব। অধ্যাপক জগদীশ ভট্টাচার্য এই পর্বকে গুরুদ্রোহ শিরোনামে অভিহিত করেছেন। ১৩৪৫ থেকে ১৩৬৮ বঙ্গাব্দ, সজনীকান্তের জীবনের শেষ চব্বিশ বছরকে বলা চলে রবীন্দ্রানুশীলন পর্ব। এই শেষের চব্বিশ বছরের মধ্যে প্রথম তিন বছর— অর্থাৎ ১৩৪৫-৪৮ রবীন্দ্রনাথের জীবদ্দশার শেষ তিনটি বছর গুরুশিষ্যের সম্পর্ক এক অদ্ভুত অন্তরঙ্গ গভীরতা লাভ করে। এবং পরবর্তী একুশ বছর অর্থাৎ ১৩৪৮-৬৮ সজনীকান্ত রবীন্দ্রচর্চায় নিজেকে নিযুক্ত করেছিলেন। কাব্য-সরস্বতীর হাত ধরে রবীন্দ্রনাথের চরণপ্রান্তে যখন স্থান পেয়েছিলেন সজনীকান্ত তখন থেকেই তিনি ক্রমশ হয়ে উঠেছিলেন রবীন্দ্রনাথের খুবই কাছের একজন। সেই সময়ের কথা স্মরণ করে সজনীকান্ত লিখেছেন– “আমার প্রতি রবীন্দ্রনাথের গ্ৰীতি তখন পৃ. ২৯৭) এই প্রসঙ্গে অধ্যাপক জগদীশ ভট্টাচার্য লিখেছেন– “রবীন্দ্রনাথ ও সজনীকান্তের পুনর্মিলন যে সদাচার সম্মত সৌজন্যের স্তর পেরিয়ে সারস্বত ক্ষেত্রেও নিগৃঢ় যোগাযোগ সৃষ্টি করেছিল তার একটি উদাহরণ এখানে উল্লেখযোগ্য। ১৯৩৮ সালের নভেম্বরে রবীন্দ্রনাথের বাংলা ভাষা-পরিচয়’ গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। .এই গ্রন্থে একটিমাত্র সূত্র নির্দেশক পাদটীকা আছে। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত প্রথম সংস্করণের ৫৪ পৃষ্ঠায় “পুরোনো বাংলা গদ্যের একটু নমুনা” উদ্ধৃত আছে। এই উদ্ধৃতির সূত্রনির্দেশ করা আছে পাদটীকায়। রবীন্দ্রনাথ > ミbr