পাতা:চিঠিপত্র (ঊনবিংশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৬৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মাঘোৎসবে রচিত আমার কয়েকটি গান শুনিয়া পিতা আমাকে পাঁচশত পুরস্কার দিত ; রাজার দিক হইতে সে সম্ভাবনার অভাবে তিনিই সে কাজ করিলেন। মাইকেল-বধ কাব্যে তুমি যে মুসীয়ানা দেখাইয়াছ করা ; সে সম্ভাবনাও যখন নাই, তখন পুস্তকাকারে প্রকাশের সময় আমি ইহার ভূমিকা লিখিয়া দিয়া তোমাকে পুরস্কার দিব। নিতান্ত দুঃখের বিষয়, এত বড় আশ্বাস সত্ত্বেও কবির জীবিতকালে ইহা প্রকাশ করা হয় নাই।” (“ভাব ও ছন্দ) গভীর অন্তরঙ্গ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে উত্তরকালে সজনীকান্ত লিখেছেন– “বস্তুত পুনর্মিলনের গোড়ার দিকটায় তাহাকে কম উত্তাক্ত করি নাই। তিনি হাসিমুখে সমস্ত আবদার শুধু সহ করেন নাই, চরিতার্থ করিয়াছেন। ইহার পর, তাহার জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ওই সম্পর্ক অটুট ছিল। তাহার বহু শুভানুধ্যায়ী তাহাকে সাবধান ও সতর্ক করিবার চেষ্টা করিয়াছিলেন। আমাকে যাহারা ঘোরতর অপছন্দ করিতেন তাহারা মৎসম্পর্কে মান অভিমান ও শাসনের ভয়ও দেখাইয়াছেন। তিনি নিজে সেই সকল গল্প আমাকে শুনাইয়াছেন কিন্তু কখনও বিচলিত হন নাই। তিনি কাহাকেও কাহাকেও এই কালে বলিয়ছিলেন, “সজনী আমার রাবণ-ভক্ত”। (আত্মস্মৃতি’, পৃ. ৪৯৪) У 8 О