পাতা:চিঠিপত্র (ঊনবিংশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৭০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২ বিশ্বভারতীর ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে রবীন্দ্রনাথের নৃত্যনাট্য সফরকে কেন্দ্র করে সুনীতিকুমার কবিকে পত্ৰযোগে এই বিষয়ে তার বিরূপ মতামত জানিয়েছিলেন। এবং রবীন্দ্রনাথের নৃত্যনাট্য সফরকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে যে পত্রাঘাত চলে তার ফলস্বরূপ তাদের মধ্যে ঈষৎ মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে ১৯৩৮ সালে, রবীন্দ্রনাথ তার ‘বাংলা-ভাষা-পরিচয়' গ্রন্থটি সুনীতিকুমারকে উৎসর্গ করবার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। সজনীকান্ত রবীন্দ্রনাথের এই অভিপ্রায়ের কথা জানতে পেরে, কবি ও সুনীতিকুমারের মধ্যে পুনর্মিলনের সূত্ৰযোজনা করেছিলেন। (দ্র, ক) ‘আত্মস্মৃতি' পূ. ৫০২-৫০৩ খ) ‘রবীন্দ্রনাথ ও সজনীকান্ত পৃ. ১৬৭ গ) রবীন্দ্রনাথের পত্র ১৫ ও ১৬ ঘ) রবীন্দ্রনাথকে লিখিত সজনীকান্তের পত্র সংখ্যা-৬-এর সূত্র (২) ও (৩)। এবং পত্র সংখ্যা-৭-এর সূত্র (২) ও (৩) । পত্র-১ ১ ১৩ জুন ১৯৩৮, রবীন্দ্রনাথের সম্পাদনায় ‘বাংলা কাব্য পরিচয়’এর প্রথম খণ্ড প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়। কিন্তু গ্রন্থটির ক্রটি ও অসম্পূর্ণতায় রবীন্দ্রনাথ অতিমাত্রায় ক্ষুব্ধ ও অশান্ত হয়ে পড়েছিলেন। অচিরাৎ, আর-একটি সুঠু ও সম্পূর্ণ সংকলন প্রকাশ করবার বাসনা তিনি প্রকাশ করেন। সংকলনটির সংস্কার ও নব সংস্করণের কাজে রবীন্দ্রনাথকে সাহায্য করতে পঞ্চসদস্যের একটি সহায়ক পরিষদ গঠিত হয়। সজনীকান্ত এই পরিষদের অন্যতম সদস্য হিসেবে মনোনীত হন। এই নিয়োগপত্রটি তারই সাক্ষ্য। পত্র- ১ ০ ১ ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৩৮, ডক্টর সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন আসবেন মেদিনীপুরে, বিদ্যাসাগর স্মৃতি মন্দিরের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করতে। এই উপলক্ষে বিদ্যাসাগর সম্পর্কে একটি প্রশস্তি কবিতা রবীন্দ্রনাথের কাছে እ> 8 ዓ