পাতা:চিঠিপত্র (ঊনবিংশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৭৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অক্টোবর ১৯৩৮ রবীন্দ্রনাথ কালিম্পঙ যাবার যে পরিকল্পনা করেছিলেন তা আর বাস্তবায়িত হয়নি। সেই সময়ের দৈনন্দিন কাগজ ‘হিন্দু’, ‘স্টেটসম্যান’ ও ‘যুগান্তর’-এর সংবাদ সূত্রে জানা যায় যে রবীন্দ্রনাথ অক্টোবরে (১৯৩৮) শান্তিনিকেতন থেকে কলকাতায় এসেছিলেন কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার দরুন ও শান্তিনিকেতনের পারিপাশ্বিক আনুকূল্যের গুণে তিনি আবার শান্তিনিকেতনেই প্রত্যাগমন করেছিলেন। (সূত্ৰ : শ্রীপ্রশান্তকুমার পালের ব্যক্তিগত সংগ্রহ) জ- ১ 8 ১ কিশোরকান্ত বাগচী, হেমন্তবালা দেবীর কন্যা বাসন্তী বাগচী ও ডা. নিখিল বাগচীর জ্যেষ্ঠ পুত্র। ২ কিশোরকান্তের জন্ম উপলক্ষে রবীন্দ্রনাথ ৩০ জুলাই ১৯৩৮ যে কবিতাটি রচনা করেছিলেন, তা ‘নবজাতক’ কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা হিসেবে স্থান পায়। যদিও ভ্রমবশত তার রচনা তারিখ ১৯/৮/৩৮’ রূপে মুদ্রিত হয়েছে। অবশ্য কাব্যগ্রন্থে দুইটি পঙক্তির স্থান পরিবর্তন ও শেষ পঙক্তির এই বুঝি দিল আনি স্থলে “বুঝিবা দিতেছে আনি” পাঠ লক্ষণীয়। (আত্মস্মৃতি’, পৃ. ৪৯৮-৫০০) সজনীকান্ত উক্ত কবিতাটি “শনিবারের চিঠি’র জন্য কবি-সমীপে প্রার্থনা করেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ‘কবিতাটি তৎপূর্বেই নরেন্দ্র দেব-সম্পাদিত কিশোর পত্রিকা'পাঠশালায় প্রকাশিত হয়ে যায়। ৩ কিশোরকান্তের ডাকনাম। ৪ হেমন্তবালা দেবী (১৮৯৪-১৯৭৬)। গৌরীপুর, ময়মনসিংহের দানবীর, শিল্পী, সংগীতানুরাগী জমিদার ব্রজেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর কন্যা। নাটোরের মহারাজা জগদিন্দ্রনাথ রায়ের ভাগ্নে ব্রজেন্দ্রকান্ত রায়চৌধুরীর সঙ্গে হেমন্তবালার বিবাহ হয়। তিনি জোনাকী, সত্যবাণী দেবী ছদ্মনামে লিখতেন। জীবনের পরম আধ্যাত্মিক সংকটে তার ‘কবিদাদা’র সঙ্গে যে পত্রালাপ শুরু করেন তার সাহিত্যিক মূল্য অপরিসীম। 離 > ○ と。