পাতা:চিঠিপত্র (ঊনবিংশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৮০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


“চিঠি’র সম্পাদক সজনীকান্তের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের চরম মতবিরোধের চূড়ান্ত মুহুর্তে যখন শনিচক্রের আক্রমণ, চরম-সীমা লঙ্ঘন করেছে, সেই সন্ধিস্থাপনের প্রচেষ্টা, বঙ্গসাহিত্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও চিরস্মরণীয় ঘটনা। ৫ সজনীকান্ত, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি সদ্য-আবিষ্কৃত পত্র, রবীন্দ্রনাথের কাছে তার অবগতির জন্য প্রেরণ করেছিলেন। ৬ ‘বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষৎ পত্রিকা’র জন্য সজনীকান্ত রবীন্দ্রনাথের কাছে পত্ৰযোগে একটি লেখা প্রার্থনা করেছিলেন। ৭ রবীন্দ্রনাথ তার জবাবে লিখেছিলেন, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়কে উৎসগীকৃত র্তার ‘ভাষা পরিচয়’এর ভূমিকাটি তিনি পরিষদ পত্রিকার জন্য দিতে সম্মত। কিন্তু বইটির স্বত্বাধিকার কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের। প্রসঙ্গত “(২৪ অক্টোবর ১৯৩৮, ৭ কার্তিক ১৩৪৫), কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক গ্রন্থখানি মুদ্রিত হয়। গ্রন্থখানি বিশ্বভারতী লোকশিক্ষা ংসদ কর্তৃক পাঠ্যরূপে মনোনীত হইয়াছে।” (দ্র, রবীন্দ্রজীবনী চতুর্থ খণ্ড, পৃ. ১৫৯) ৮ রবীন্দ্রনাথের শর্ত ছিল, সজনীকান্ত যদি তৎকালীন কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (১৯০১-১৯৫৩), নিকট “ভাষা-পরিচয়’এর ভূমিকাটি পুনঃপ্রকাশের সম্মতি আদায় করতে পারেন তা হলে তা প্রকাশে আর কোনো বাধা হবে না। প্রসঙ্গত “বাংলা ভাষা-পরিচয়ে’র ভূমিকা” প্রবন্ধাকারে ১৩৪৫ বঙ্গাব্দের ‘বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ পত্রিকা’র পঞ্চচত্বারিংশ বর্ষের তৃতীয় সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। ৯ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চেম্বারলেন-এর তোষণনীতি। তিনি হিটলারকে বাধা দেওয়ার পরিবর্তে তোষণনীতি দ্বারা সন্তুষ্ট করতে চেয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ “কাব্য-পরিচয়’এর নির্বাচনকার্যে আধুনিক যুগের কবিদের শান্ত করতে চেম্বারলেনি পদ্ধতিকে অনুসরণ করার কথাও ভেবেছিলেন। SC 인