পাতা:চিঠিপত্র (ঊনবিংশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২০৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


어G- 82 ১ সজনীকান্ত আত্মস্মৃতিতে লিখেছেন—“রবীন্দ্রনাথের পত্র। ২৮/৫/ ৪১ ) পাইয়াই আমি কেন জানিনা, তাহাকে দেখিবার জন্য ব্যস্ত হইয়া উঠিলাম। ...খবর পাইতেছিলাম, তিনি দিনে দিনে শীর্ণ ও দুর্বল হইয়া পড়িতেছেন। শেষ পর্যন্ত থাকিতে পারিলাম না।” (দ্র. ক. রবীন্দ্রনাথের পত্র-৪২, খ, 'আত্মস্মৃতি’, পৃ. ৫৫৭) ডায়াবেটিসের প্রকোপে তখন শয্যাশায়ী অবস্থা সজনীকান্তের। বাড়ির বাইরে যাওয়া তখন ডাক্তারের নিষেধ। এমতাবস্থায় স্ত্রী সুধারানীকে চন্দননগরে যাচ্ছেন বলে ৩ জুন ১৯৪১ সকালের ট্রেনে, রবীন্দ্র করে, ঐদিনই বিকেলের ট্রেনে ফিরে এসেছিলেন। ভঙ্গুর স্বাস্থ্য নিয়ে সজনীকান্তের অপ্রত্যাশিত আগমনে রবীন্দ্রনাথ খুবই আনন্দিত হয়েছিলেন। কীভাবে আদর আপ্যায়ন করবেন তাই নিয়ে সচিব ও অনুচরদের বিপন্ন করে তুলেছিলেন। প্রবল অসুস্থতার মধ্যেও সজনীকান্ত যে তার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। এইজন্যে রবীন্দ্রনাথ যে কতখানি আনন্দিত ও আহাদিত হয়েছিলেন তার সাক্ষ্য মেলে কবির লেখা পরের দিনের চিঠি থেকে। সজনীকান্ত এই চিঠি প্রসঙ্গে তার ‘আত্মস্মৃতি’তে লিখেছেন– রবীন্দ্রনাথের, “সম্ভবত বাইরের লোককে লেখা এইটিই শেষ পত্র।” (দ্র, ‘আত্মস্মৃতি’, পৃ. ৫৫৭) _ ২ মাড়োয়ারী বন্ধুর একজনের নাম নেমী চাদ। সজনীকান্তের খুব অন্তরঙ্গ ও হিতৈষী বন্ধু ছিলেন।