পাতা:চিঠিপত্র (ঊনবিংশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২২৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৫ সজনীকান্তকে রবীন্দ্রনাথ মৌখিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ‘অবচেতনার অবদান’ নামে যে ছবিটি একে সমপণ করেছিলেন তাকে, তার উপর একটি কবিতা লিখে দেবেন। সজনীকান্ত এই পত্ৰযোগে কবির কাছে কবিতাটি প্রার্থনা করেছিলেন। এই সুবাদে রবীন্দ্রনাথের উত্তর আসে ২০ জানুয়ারি, ১৯৪০। (দ্র, ক) রবীন্দ্রনাথের পত্র-৩২। সূত্র ১ । খ) ‘আত্মস্মৃতি’, পৃ. ৩৪৪ । গ) রবীন্দ্র-রচনাবলী ষোড়শ খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ সরকার, शृ. 8१० ।। ৬ তৎকালীন মেদিনীপুর জেলা অধিকর্তা বিনয়রঞ্জন সেন। ৭ ঝাড়গ্রাম রাজা কুমারনরসিংহ দেবমল্ল। ?で頭-> ケ ১ ১লা ফেব্রুয়ারি ১৯৪০, রবীন্দ্রনাথ পত্ৰযোগে সজনীকান্তকে শান্তিনিকেতনে আসার জরুরি তলব করেছিলেন। (দ্র, রবীন্দ্রনাথের পত্র-৩৩) ২ রচনাবলী প্রকাশনালয়ের অধিকর্তা কিশোরীমোহন সাঁতরা অসুস্থ হওয়ায়, তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন পুলিনবিহারী সেন। রচনাবলী সম্পর্কে নানাবিধ আলোচনা তখন চূড়ান্ত পর্যায়ে চলছে—সেই অবস্থায় রবীন্দ্রনাথ সজনীকান্তকে পত্ৰযোগে ডেকে পাঠালেন বিশেষ প্রয়োজনে । (দ্র, রবীন্দ্রনাথের লিখিত ৩৩-সংখ্যক পত্রের সূত্র-১) ৩ পুলিনবিহারী সেন ও অমিয় চক্রবর্তী। ৪ পরবর্তী রবিবার ছিল— ৪/২/১৯৪০ তারিখ। ৫ অমিয় চক্রবতীর প্রথম কাব্য-গ্রন্থ ‘খসড়া’ ১৯৩৮-এ প্রকাশিত হয়। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ প্রথমে খসড়া সম্বন্ধে তার মতামত জানান নি। কারণ এই ধরণের আধুনিক কবিতা তার ভালো লাগে না সেটাই হয়তো প্রধান অন্তরায় ছিল না। এই মর্মে কবি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৩৮ অমিয় চক্রবর্তীকে একটি চিঠিতে লেখেন—“খসড়া সম্বন্ধে লিখব ঠিক Soo