পাতা:চিঠিপত্র (ঊনবিংশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৮৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শ্ৰীসজনীকান্ত দাস, শ্রীযুক্ত মোহিতলাল মজুমদারের প্ররোচনায় ওই প্রবন্ধটি লিখিয়ছিলাম। সেই চিঠিতে শ্ৰীযুক্ত সুরেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়কে সাক্ষী মানা হইয়াছে। হয়ত অন্য চিঠিতে কিম্বা মৌখিক ইহাও কেহ বলিয়া থাকিবেন যে, যেহেতু আমি ‘প্রবাসী অফিসের বেতনভোগী কর্মচারী এবং যেহেতু ‘বিচিত্রা’ পত্রিকা ব্যবসায় ক্ষেত্রে ‘প্রবাসীর প্রতিদ্বন্দ্বী সেই হেতু শ্ৰীযুক্ত রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় মহাশয় কিম্বা তাহার সম্পর্কিত কেহ আমাকে দিয়া ওই প্রবন্ধ লিখাইয়া বিচিত্রাকে অপদস্থ করিবার চেষ্টা করিয়াছেন। এরূপ গুজব ইতিপূর্বে শুনিয়া না থাকিলেও হয়ত অচির ভবিষ্যতে শুনিতে পাইবেন। সেইজন্য আপনাকে জানাইতেছি যে আমার লিখিত উক্ত সমালোচনাটিতে সত্য, মিথ্যা, বাতুলতা, প্ৰলাপ, ঔদ্ধত্য, ঈৰ্ষা যাহা কিছু আছে তাহা সম্পূর্ণ আমার— অন্য কাহারও তাহাতে বিন্দুমাত্র অংশ বা প্রভাব নাই। ভুল করিবেন। আমি নিজের তরফ হইতে এইটুকু মাত্র বলিতে চাই যে, বিগত পঞ্চদশ বর্ষকাল রবীন্দ্র সাহিত্যের সহিত পরিচিত থাকার দরুন আমি সাহিত্য বিষয়ে এই ধৰ্ম্মটুকু অর্জন করিয়াছি যাহার প্রভাব সাহিত্যিক নীচতা ও হীনতা হইতে আমাকে বিরত করে অন্তত, ভাড়াটে সাহিত্যিক গুণ্ডা হইতে আমাকে বাধা দেয়। o 'নটরাজের সমালোচনা লিখিয়া ও বেনামীতে যতবড় অপরাধই আমি করিয়া থাকি তাহার শাস্তি সম্পূর্ণ আমারই প্রাপ্য। যাহারা আমাকে অন্নদান করেন তাহারা পাপভাগী নহেন। ওই সমালোচনাটি সম্ভবত —আপনি এখনও পড়েন নাই ; যদি পড়িয়া থাকেন ও উহা আপনাকে বিন্দুমাত্রও ব্যথা দিয়া থাকে তজ্জন্য আমি আপনার নিকট মার্জনা ভিক্ষা করিবার দাবী রাখি। কিন্তু, আপনার বিরুদ্ধে আমারও নালিশ এই যে, বেনামী চিঠি পড়িয়া প্রবন্ধটি সম্বন্ধে কিছু জানিবার ইচ্ছা যখন ૭br