পাতা:চিঠিপত্র (চতুর্থ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২১৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চিঠিপত্র כo S 3 মংপুর জীবনযাত্রা কাশ্মীরের তুলনায় সঙ্কীর্ণ, পাহাড়গুলোর আভিজাত্য নেই– মাথায় নেই তুষারকিরাট— যে পাগড়িট পরে সেটা ঘোলা রঙের মেঘের । চারিদিকটা অত্যন্ত বদ্ধ । আমি ভালোবাসি খোলা আকাশ,— এখানে আকাশে পাহার বসে গেছে। এতদিনে পালাতুম কিন্তু ওদিকে খবর আসচে সমভূতলে জষ্টিমাসের প্রতাপ অসহ । কাল সুধাকান্তর চিঠিতে খবর পাওয়া গেল চিঠি লেখা দুঃসাধ্য কেননা লিখতে গেলে ঘামতে ঘামতে আঙুলগুলো ক্ষয়ে কিছুই বাকি থাকে না। প্রায় তো শেষ হয়ে এলো জষ্টিমাস– মনে মনে ভাবটি আষাঢ় পড়লেই নব বারিধারার সঙ্গে সঙ্গেই নেবে পড়ব নিম্নভূতলে, কোনো বাধা মানব না । এ চিঠি তোরা পাবি কি না জানি নে নিতান্ত যদি না পাস দেখা হবে সশরীরে মালঞ্চে । তখন তাকাশে দেখা দেবে শ্যামল মেঘ, আর নিকুঞ্জগৃহে শ্যামললরণী— চোখ জুড়িয়ে যাবে। এখানে আলু আর অনিল আমার সহচর। ওদের পেট ভরে ভোজন এবং পেট ভরে পিশাম । এখানকার মেঘাচ্ছন্ন পাহাড়ের মতে ওরা তন্দ্রবিষ্ট । কর্মের তাগিদে অনিলকে যেতে হবে বাইশে কিম্বা পঢ়িশে--- আমাকে ও একটা জরুরী কর্মের তাঢ়িল জোগাড় করতে হবে । কারণ আমার ‘মন বলে যাই যাই যাই c5Is” 1 gif isi (Eiaf, changes his mind I tal fig রথী এসে আমাকে কালিম্পঙে নিয়ে যাবে। সে তো নলকূপের নলকে গভীর থেকে গভীরতরে নিয়ে চলেছে—- আর বউমা চড়ে