পাতা:চিঠিপত্র (ত্রয়োদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৪৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ঠাকুর-পরিবারে সংস্কৃত পণ্ডিতরূপে নিযুক্ত করেন। পরে, তাকে শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথের পুত্ৰকস্তাদের সংস্কৃত শিক্ষা দেবার জন্য নিয়োগ করা হয়। শান্তিনিকেতন বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগপর্বেই রবীন্দ্রনাথ র্তাকে এখানে নিয়ে আসেন। এখানকার বিদ্যালয়ে তিনি সংস্কৃত ও বাংলা বিষয় শিক্ষা দিতেন । “আশ্রমের রূপ ও বিকাশ’ গ্রন্থে র্তার বিষয়ে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, “আমাদের পণ্ডিত ছিলেন শিবধন বিদ্যার্ণব । বাংলা আর সংস্কৃত শেখানো ছিল তার কাজ, আর তিনি ব্রাহ্মধর্ম গ্রন্থ থেকে উপনিষদের শ্লোক ব্যাখ্যা করে আবৃত্তি করতেন ।" অল্প কয়েকমাস শিক্ষকতার পর, বিদ্যালয়ের প্রথম বছরেই শিবধন শাস্তিনিকেতন ছেড়ে চলে যান । ‘কবিপ্রণাম’ ( ১৩৪৮) গ্রন্থে শিবধন বিদ্যার্ণবের পুত্র রাধানন্দ ভট্টাচার্য -লিখিত ‘রবীন্দ্রনাথ ও শিবধন বিদ্যার্ণব' রচনায় উভয়ের যোগাযোগের বিবরণ পাওয়া যায় । “পণ্ডিতমহাশয় নানা অকুনয় করিয়া স্বদেশ হইতে র্তাহার পরিজনদের কলিকাতায় আনিতে গেছেন ।" প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় ‘রবীন্দ্রজীবনী' গ্রন্থে ( দ্বিতীয় খণ্ড, চতুর্থ সংস্করণ ১৯৭৭ ) এই পত্রে উল্লিখিত পণ্ডিতমহাশয় সম্বন্ধে লিখেছেন (পৃ. ৫৬ ), ‘হরিচরণ পণ্ডিতমহাশয় অনুপস্থিত।" কিন্তু উল্লিখিত পণ্ডিতমহাশয় শিবধন বিদ্যার্ণব বলেই আমাদের অনুমান । হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ‘রবীন্দ্রনাথের কথা – গুণগ্ৰতি' প্রবন্ধে ( প্রবাসী, ভান্দ্র ১৩৫• ) লিখেছেন, "'আশ্রমে আসিয়া [ শ্রাবণ/ভাস্ত্র ১৩০৯ ].পণ্ডিত শিবধনকে তখন অধ্যাপনা করিতে দেখি নাই, আমি আসার পূর্বেই তিনি চলিয়া গিয়াছেন।" আমাদের অনুমান, বিদ্যালয়ে শিবধন অস্থপস্থিত থাকলেও রবীন্দ্রনাথের এই পত্ররচনার 及总够