পাতা:চিঠিপত্র (ত্রয়োদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৬৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শিক্ষকতা করেন । রবীন্দ্রনাথ কিছুকাল তাকে বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষতার দায়িত্বও দিয়েছিলেন । জগদীশচন্দ্র বস্তুকে লেখা চিঠিতে রবীন্দ্রনাথ সত্যেন্দ্র-রেণুকার বিবাহ-প্রসঙ্গে সত্যেন্দ্রনাথের কথা লিখেছেন (চিঠিপত্র , পত্র-সংখ্যা ১৬ )। রবীন্দ্রনাথের কনিষ্ঠা কস্তা মীরা দেবী সত্যেন্দ্রপ্রসঙ্গে “স্মৃতিকথা" গ্রন্থে ( প্রকাশ ১৯৭e, o. ১৩-১৫ ) লিখেছেন—“আমাদের ভগিনীপতি সত্যবাবু অত্যন্ত সাদাসিধে মানুষ ছিলেন । মধ্যবিত্ত গৃহস্থপরিবারে মানুষ হয়েছিলেন, তাই বিদেশ গিয়ে তাদের আদব কায়দা তার ভালো লাগল না। বাবা যখন সত্যবাবুর কাছে তার চলে আসার কারণ শুনলেন তখন তার জন্ত বিরক্ত হন নি ; বরং সত্যবাবুর জন্ত একটা মায়া হল, সফল হয়ে আসতে পারলেন না বলে । পরে বাবা তাকে শাস্তিনিকেতনে কাজ দিয়েছিলেন । সেখানে সত্যবাবু বেশ খুশিতে ছিলেন। রানীদি তখন বেঁচে নেই, তা হলেও আমাদের সঙ্গে তার আত্মীয়তার বন্ধন কখনো ছিন্ন হয় নি। দুঃখের বিষয়, তিনিও বেশিদিন জীবিত ছিলেন না । তার মৃত্যুর পর ছাত্রদের বাসের জন্ত সত্যকুটির’ নামে একটি বাসগৃহ তৈরি হল ।” “আমি ক্রমান সত্যেন্দ্রনাথকে সকল বিষয়ে বিস্তারিত উপদেশ দিয়া অধ্যক্ষতার ভার দিয়াছি—” নানা সময়ে বিদ্যালয়ের পরিচালন-ব্যবস্থা বিষয়ে ৬-সংখ্যক পত্রের পরিচয় প্রসঙ্গে (দ্র, পৃ. ২৩১ ) বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। “পূর্বদিকে যে ভিত পত্তন করা হইয়াছে...।” পূর্ববর্তী বিশ্বভারতী গ্রন্থাগারের, বর্তমান পাঠভবন-দপ্তরের পূর্বদিকের ঘরটির (বর্তমানে ঐ বাড়ির দোতলায় ওঠার বা দিকের স্বর ) ভিত্তিস্থাপনার প্রসঙ্গ ।