পাতা:চিঠিপত্র (ত্রয়োদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৭৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সাহিত্যচর্চায় বাধা দেবার উদ্দেঙ্গে তার উপর কাজের ভার অতিরিক্ত করে দিয়েছেন ।..” কিন্তু এই পক্ষপাতিত্ব সম্বন্ধে মনোরঞ্জনের ধারণা যে অমূলক, তাকে লেখা এই গ্রন্থের ১৩-সংখ্যক পত্রে রবীন্দ্রনাথ সুস্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছেন । পত্র ১৯ । পত্রশেষে রবীন্দ্রনাথ রেণুকার মৃত্যুর উল্লেখ করেছেন । আলমোড়া থেকে ফিরে রেণুকার মৃত্যু ঘটে ২৮ ভাত্র ১৩১৭ তারিখে । রবীন্দ্রনাথ এই চিঠির শেষে ১৩১১ বঙ্গাব্দ উল্লেখ করেছেন, যা স্পষ্টতই লিপিপ্রেমাদ । ১৩১১ স্থলে ১৩১ • ধরতে হবে ।

  • "আপনি লিখিয়াছেন আমারই অন্যায় ও দুর্বলতা আপনার কৰ্ম্মপরিত্যাগের কারণ " ১৮-সংখ্যক পত্রপরিচয়ে এই বিষয়টি আলোচিত ।

“ সমস্ত বিপ্লবের মধ্য দিয়া বিদ্যালয় নবতর প্রাণ ও প্রবলতর প্রতিষ্ঠা লাভ করিতেছে।” শাস্তিনিকেতন ব্রহ্মচর্যাশ্রম বিদ্যালয়ের সূচনা নিতান্তই ক্ষুদ্র আকারে —জন ছয় ছাত্র সম্বল করে । বিদ্যালয়ের জন্ত প্রয়োজনীয় উপকরণও নিতান্তই অপ্রতুল ছিল । দেশবাসী এই বিদ্যালয় বিষয়ে হয় বিরূপ অথবা উদাসীন ছিলেন । সেই সময়ের বিদ্যালয়ে যে-সমস্ত ছাত্র এসেছিলেন র্তাদের সম্বন্ধে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, "যে-সব ছেলে এসেছিল তারাও যে। সব রত্ন তা নয় ; কোথাও যাদের গতি নেই, বাপ-মা ত্যাগ করতে পারলে বঁাচে তারাই প্রথমে এসেছিল এখানে । একজন অভিভাবক আমাকে বলেছিলেন তার ছেলের সম্বন্ধে, এ অত্যন্ত অবাধ্য, এ'কে যথাসাধ্য মারবেন, আমি খাটের খুরোতে বেঁধে একে মেরেও কোনো ফল পাইনি তাই আপনার হাতে দিচ্ছি।' কোনো কোনো ছাত্র এমন ছৰ্দাত ছিল ষে, १€ ♚