পাতা:চিঠিপত্র (ত্রয়োদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৮৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


হতে থাকে । বিদেশী দ্রব্যবৰ্জন ও স্বদেশী দ্রব্যের ব্যবহারচেষ্টাকে মুসলমানসমাজ, উৎকৃষ্ট দ্রব্যের পরিবর্তে নিকৃষ্ট মানের দেশীয় দ্রব্যগ্রহণে তারা বাধ্য হচ্ছেন— এ রকম ধারণা করতে আরম্ভ করেন । এই সমস্ত অসস্তোষের কারণে বাংলাদেশের নানা জায়গায় হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে দাঙ্গা হাঙ্গামা শুরু হয়ে যায় । ব্রিটিশ সরকারও নানা উপায়ে এই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে যাতে বিরোধ সঞ্চারিত ও বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়, তার চেষ্টা করতে থাকেন । মুসলমানগণ সংখ্যালঘিষ্ট ও অনগ্রসর, প্রধানত এই যুক্তিতে মর্লি-মিণ্টো শাসনসংস্কারে qfteFJR Kyrgtof-F Hēfa ( Legislative Assembly ) STER UTM আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয় । স্বদেশের এই জটিল রাজনৈতিক অবস্থায় রবীন্দ্রনাথ গভীর উচ্ছবি। হন । ‘ব্যাধি ও প্রতিকার’ প্রবন্ধে ( প্রকাশ : প্রবাসী, শ্রাবণ ১৩১৪, ‘সমূহ’ গ্রন্থভুক্ত) এই সমস্তার প্রকৃতি ও প্রতিকার বিষয়ে তিনি বিস্তারিত আলোচনা করেছেন । পত্র ৪৩ । “দেশের কথা লিখিতে গেলে পুথি বড় হইয়া উঠিবে। যদি কোনো প্রবন্ধ আকারে কোনো কাগজে লিখি তবে দেখিতে পাইবেন ...” ব্যাধি ও প্রতিকার প্রবন্ধে দেশের সমস্তা ও সমাধানের পথনির্দেশ আছে ।

  • নগেন্দ্রকে বিবাহের পরে আমেরিকার রগীদের কাছে কৃষিবিদ্যা শিখিতেই পাঠাইব । ফিরিয়া আসিলে রথীদের সঙ্গে একসঙ্গে এক কাজে যোগ দিতে পরিবে ।” ১৯০৭ খৃস্টাব্দের ৬ জুন রবীন্দ্রনাথের কনিষ্ঠা কস্তা মীরা দেবীর সঙ্গে নগেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের ৰিবাহ হয়, এর অৰ্যবহিত পরই

સ્વo8